ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
প্রচ্ছদ » চট্রগ্রাম » নবীনগরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ বিক্ষোভ

নবীনগরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ বিক্ষোভ


নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি
প্রকাশ: রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫


নবীনগরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ বিক্ষোভ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের সাবেক পুলিশ সদস্য মানিক মিয়া ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে এলাকায় মানুষদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও মামলা বাণিজ্যের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। প্রতিবাদ ও বিক্ষোপ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আলামিন খন্দকার।আজ শনিবার (১১/১০) ইব্রাহিমপুর ইসলামী ব্যাংক প্রাঙ্গন মাঠে এ প্রতিবাদ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তরা অভিযোগ করেন, মানিক পুলিশ ও তার দুসর কবির মেম্বার, হালিমা খাতুন,জহর মিয়াসহ তার লাঠিয়াল বাহিনী দীর্ঘদিন এলাকায় ঝগড়াঝাঁটি, দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি করে মামলা মোকদ্দমা দিয়ে মামলা বাণিজ্য করে যাচ্ছে। সমাবেশে তার মিথ্যা মামলাসহ নানাহ্ হয়রানি ও প্রতারণার শিকার কৃষক জামাল মোল্লা, আলামিন খন্দকার, শিরিন আক্তার, তাজুল ইসলাম, আলম মিয়াসহ অনেকেই তাদের উপর অন্যায় অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরেন।

গত ১৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখ বিকেলে “বাড়িতে এসি লাগানো” ঘটনাকে কেন্দ্র করে হালিমা খাতুনকে দিয়ে জামাল মোল্লা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে তিনটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়, যার একটি নবীনগর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সি.আর মামলা নং-৭৩৭/২৫) চলছে। পরে কথিত সালিশের মাধ্যমে মানিক মিয়া সরকার ও কবির মেম্বার জামাল মোল্লার কাছ থেকে মামলা প্রত্যাহারের শর্তে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১০ হাজার টাকা ঘোষ বাবদ আদায় করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আল আমিন খন্দকার অভিযোগ করেন, “টাকা নেওয়ার পরও মামলাগুলো প্রত্যাহার করা হয়নি, বরং আরও অর্থ দাবি করা হয়। পরে জামাল মোল্লা থানায় অভিযোগ করলে মানিক মিয়া সরকার তাকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেয়।”

“এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানানোয় আমাকে এবং জামাল মোল্লাকে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে মানিক মিয়া চক্র। বর্তমানে এসব মামলাগুলো তদন্তাধীন রয়েছে।”

তারা আরো বলেন,মানিক মিয়া সরকার পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত থাকা অবস্থায় অসদাচরণ ও শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে সাময়িক বরখাস্ত হয়ে পরবর্তীতে বাধ্যতামূলক অবসরে যান। অবসরের পর তিনি গ্রামে ফিরে একের পর এক মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও অর্থ আদায়ে লিপ্ত হন। তার শিকার হয়েছেন আত্মীয়স্বজন থেকে শুরু করে গ্রামের নিরীহ মানুষ পর্যন্ত।

“মানিক মিয়া সরকার ও তার সহযোগীরা একাধিক সময়ে ধর্ষণ মামলা, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। স্থানীয় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে সালিশের টাকা আত্মসাৎ করাসহ নানা অনিয়মে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।”

তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলাগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নিস্পতি ও মানিক মিয়া সরকারসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দাবী জানান।,

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ০:১৩:৫৩   ২৫৫ বার পঠিত  |