![]()
ফরিদপুর: অটোরিকশা ছিনতাই ও চালক ফারুক তালুকদার (৪০) হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. শামীম ওরফে ভাগ্নে শামীম (২৯) কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১০।
র্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে শনিবার দুপুর আনুমানিক ১২টা ৫ মিনিটে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন জনতা ব্যাংক মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত শামীম রাজবাড়ী জেলার সদর উপজেলার বারইপাড়া গ্রামের সাদেকের ছেলে। তিনি ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় দায়েরকৃত হত্যা মামলা নম্বর–১৮ (তারিখ: ৭ মার্চ ২০২০) এর সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামি।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালের ৬ মার্চ রাজবাড়ীর গোপ্ত মানিক গ্রাম থেকে অটোরিকশা চালক ফারুক তালুকদারকে ফরিদপুর যাওয়ার কথা বলে ভাড়া করে নিয়ে যায় আসামিরা। পরে ফরিদপুর সদর উপজেলার ফতেহপুর শ্মশানঘাট এলাকায় নিয়ে গিয়ে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে অটোরিকশাটি ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। ঘটনার রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়। পরদিন নিহতের ভাই মো. হান্নান তালুকদার অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে ফরিদপুরের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালত গত ২৯ মে ২০২৫ তারিখে রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মো. শামীম ওরফে ভাগ্নে শামীমকে পেনাল কোড, ১৮৬০ এর ৩০২ তৎসহ পঠিতব্য ৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা (অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড) এবং একই আইনের ৩৯৪ তৎসহ পঠিতব্য ৩৪ ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা (অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড) প্রদান করা হয়।
রায় ঘোষণার পর থেকে আসামি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। পরে র্যাব-১০ তাকে গ্রেপ্তার করে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করেছে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২১:০৪:১৫ ৫২ বার পঠিত | ● গ্রেপ্তার .মধুখালী ● সাজাপ্রাপ্ত আসামি