![]()
তৈরি পোশাক রপ্তানির আড়ালে ১৪টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৮২১ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগটি অনুসন্ধানের অনুমোদন দিয়েছে।
দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রাকিবুল হায়াত ও উপসহকারী পরিচালক খাইরুল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত টিম অভিযোগটি অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
পোশাক খাতের এই ১৪ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুর, দুবাই, মালয়েশিয়া, কানাডাসহ ২৫টি দেশে অর্থ পাচার করতে ভুয়া রপ্তানি নথি ব্যবহারের অভিযোগ আছে। আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে তারা অর্থ পাচার করেছে দুদকে দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগটির অনুসন্ধানের স্বার্থে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি চেয়ে গত ৩০ এপ্রিল সহকারী পরিচালক রাকিবুল হায়াতের সই করা চিঠি চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়েছে। ঢাকায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ওইসব তথ্য সরবরাহের কথা বলা হয়েছে আগামী ১২ মে’র মধ্যে।
দুদকের চিঠিতে যেসব তথ্য চাওয়া হয়েছে সেগুলো হলো-১৪টি প্রতিষ্ঠানের বন্ডেট ওয়্যারহাউসের বন্ড সুবিধার আওতায় ২০১১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কী কী পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করা হয়েছে এর বিল অব এক্সপোর্ট, বিল অব এন্ট্রিসহ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র। ১৪টি প্রতিষ্ঠানের বন্ডেট ওয়্যার হাউসের প্রতিষ্ঠানগুলোর বন্ড ও লাইসেন্স সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র। এছাড়া ১৪টি প্রতিষ্ঠানের কাস্টমস বন্ড পরিচালিত নিরীক্ষা প্রতিবেদনও চাওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ওইসব রেকর্ডপত্র সরবরাহ করা না হলে সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুদক আইন-২০০৪ এর ১৯(৩) ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।
এন/ আর