ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রচ্ছদ » খুলনা » কয়রায় চাঁদা না দেওয়ায় সড়কের পিচ খুঁড়ে নষ্ট করার অভিযোগ

কয়রায় চাঁদা না দেওয়ায় সড়কের পিচ খুঁড়ে নষ্ট করার অভিযোগ


তারিক লিটু,কয়রা ( খুলনা )
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬


কয়রায় চাঁদা না দেওয়ায় সড়কের পিচ খুঁড়ে নষ্ট করার অভিযোগ

খুলনা: কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের মাদারবাড়িয়া-রোনবাগ সড়কের নির্মাণকাজে চাঁদা না দেওয়ায় সদ্য পিচঢালাই করা অংশ খুঁড়ে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের দাবি, স্থানীয় এক নেতার পক্ষ থেকে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। সেই দাবি না মানায় ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন ব্যক্তি রাতে সড়কের পিচ ক্ষতিগ্রস্ত করেন।

স্থানীয় সূত্র ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ অনুযায়ী, দুই দিন আগে সড়কটির প্রায় এক কিলোমিটার অংশে পিচঢালাই করা হয়। বাকি অংশের কাজ এখনো চলমান। এর মধ্যেই রাতের অন্ধকারে কয়েকজন ব্যক্তি কোদাল ও সাবল দিয়ে পিচঢালাই করা অংশ খুঁড়ে নষ্ট করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওগুলোতে কয়েকজনকে রাস্তার পিচ খুঁড়তে দেখা যায়। তবে পিচ সহজে উঠছিল না। পরে কোদাল ব্যবহার করে তা খোঁড়ার চেষ্টা করতে দেখা যায়।

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাজ তদারকি করা হাসান শেখ বলেন, স্থানীয় এক নেতার পক্ষ থেকে তাঁর কাছে লোক পাঠিয়ে দেখা করতে বলা হয় এবং চাঁদা দাবি করা হয়। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর সড়কের কাজ শেষ হওয়ার মাত্র দুই দিনের মাথায় পিচ নষ্ট করা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।

তিনি আরো বলেন, “সড়কে পিচঢালাইয়ের পর তা পুরোপুরি শক্ত হতে সাধারণত প্রায় সাত দিন সময় লাগে। কিন্তু মাত্র দুই দিনের মধ্যে কোদাল-সাবল দিয়ে পিচ খুঁড়ে নষ্ট করায় সড়কের ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, এলজিইডির নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। নির্মাণকাজে বড় ধরনের কোনো ত্রুটি নেই। এটি কাজের একটি ধাপ। প্রথমে লেভেলিং করা হয়, পরে সিল কোট দেওয়া হয়। এখনো আরও এক দফা পিচ দেওয়া হবে।”

কয়রা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপসহকারী প্রকৌশলী আফজাল হোসেন বলেন, বিটুমিন ঢালাইয়ের পর রাস্তা পুরোপুরি মজবুত হতে অন্তত সাত দিন সময় লাগে। তবে কাজে প্রাইম কোট না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ০:০২:১৬   ৫ বার পঠিত  |