![]()
মাগুরা: মহম্মদপুর উপজেলায় খাল খনন প্রকল্পের কাজ শেষে উদ্বৃত্ত থাকা ২ কোটি ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে প্রসংশায় ভাসছেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রি। স্থানীয় প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায় খাল খনন কাজ শেষে এই অর্থ ফেরত দেওয়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও সাধারন মানুষের প্রসংশায় আলোচিত হয়েছেন তিনি। এমনকি স্থানীয় সংসদ সদস্য সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীও তার এই প্রশংসনীয় উদ্যোগকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রকল্পের অব্যয়িত এ অর্থ তিনি ২৬ জুলাই সরকারি কোষাগারে জমা দেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাবুখালী, দীঘা, বিনোদপুর ও বালিদিয়া ইউনিয়নের রায়পুর স্লুইস গেট থেকে বালিদিয়া নির্বিষখালী প্রর্যন্তু ১৫ কিলোমিটার খাল খননের জন্য ৩ কোটি ৮৬ লাখ ২৭ হাজার ১২ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডেও অনুমোদন না পাওয়ায় এই প্রকল্পের ৮. ২৫০ কিলোমিটার অংশে খননকাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। এছাড়া ৪০ দিনের কর্মসূচির কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হওয়ায় অব্যয়িত অর্থও সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা সাবেক অধ্যক্ষ মৈমুর আলী মৃধা বলেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে উদ্বৃত্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এ জন্য তিনি ইউএনও, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এবং সংস্কৃতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য নিতাই রায় চৌধুরীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেদবতী মিস্ত্রি বলেন, প্রকল্পের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এখানে সরকারি অর্থের অপচয়, অনিয়ম বা দুর্নীতির কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। স্থানীয় সংসদ সসদ্য সংস্কৃতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেই খাল খনন কর্মসূচী সম্পন্ন করা হয়েছে। আগামি দিনে সব উন্নয়ন প্রকল্প স্বচ্ছতার মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করা হবে। মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, অত্যন্ত স্বচ্ছতার মাধ্যমে এবং সফলভাবে মহম্মদপুরে খাল খনন কর্মসূচী সম্পন্ন হয়েছে। এজন্য তিনি ইউএনও কে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এন/ এস
বাংলাদেশ সময়: ২০:৫০:০০ ৭ বার পঠিত | ● ইউএনও ● খাল খনন ● মহম্মদপুর