ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রচ্ছদ » বরিশাল » চাঁদবাজী মামলায় চরফ্যাসন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক কারাগারে

চাঁদবাজী মামলায় চরফ্যাসন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক কারাগারে


বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬


 চাঁদবাজী মামলায় চরফ্যাসন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক কারাগারে

ভোলা: চরফ্যাসনে এক ব্যবসায়ীর কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি,তার বসতঘরে তালা ও মারধরের মামলায় চরফ্যাসন উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়ার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার সকালে ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন জেলা ও দায়রা জজ শরীফ এ এম রেজা জাকের।
এর আগে,চলতি বছরের গত মে মাসের ২১ তারিখে চরফ্যাসন উপজেলার পৌরসভা এলাকার ৪ নম্বর ওয়াডের স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মো.ছালাম বাদী হয়ে ৩ জনকে আসামি করে চরফ্যাসন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় আসামিরা হলেন, প্রধান আসামি মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া ও তার দুই ছেলে মো.আরাফাত হোসেন মালতিয়া,ফাহাদ হোসেন মালতিয়া।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়,বাদী বহু বছর ধরে ওই এলাকায় পৈতৃক ভিটায় ঘর তুলে বসবাস করে আসছিলেন এবং তিনি ওই ঘরে ৫৫ বছর ধরে ভাড়াটিয়া দিয়ে দধির ব্যবসা করাচ্ছিলেন। কিন্তু হটাৎ সরকার পতনের পর ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া ওই ঘর ভিটে নিজের মালিকানাদাবী করে উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে তার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং চাঁদার টাকা না দেওয়ায় বিএনপি নেতা তার দলবল নিয়ে বাদীর দোকান ঘরে তালা দেয় এবং বাদীকে মারধর করেন। মারধরের এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো.ছালাম বাদী হয়ে গত ৭ এপ্রিল আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন এবং আজকে নিন্ম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে তিন আসামীর মধ্যে প্রধান আসামী বিএনপি নেতা আলমগীর মালতিয়াকে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার বাদী মো.ছালাম বলেন,আদালতে আজকে আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি,আসামি জামিন পাননি। আসামিরা আমার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আমার বসতঘরে তালা দিয়ে আমাকে মারধর করেছে। স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাও নিতে দেননি,থানায় মামলা করতেও দেননি। পরে আমি আদালতে মামলা করেছি। আজকে বিজ্ঞ জেলা জজ তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেছেন।
ভোলা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শেখ মো.নাসীর উদ্দিন বলেন,জজ আদালত থেকে আসামিকে আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আসামিকে কারাগারে পাঠানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২০:১৬:০০   ১৭ বার পঠিত  |