![]()
বরগুনা: আমতলীতে গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের একাংশ খালে ধসে পড়ার তিন সপ্তাহেও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে করে একে সরকারি হাই স্কুল-তালুকদারহাট-গাজীপুর সড়ক দিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। মাস দেড়েক আগেই স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) পৌনে আট কোটি টাকায় সড়কটি সংস্কার করেছিল।
আমতলী-তালুকদারহাট সড়কে নিয়মিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে চলাচলকারী আসাদুল হাওলাদারকে গতকাল রোববার সকালে পাওয়া যায়। তিনি বলেন, দেবে যাওয়া সড়কের ওই অংশ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। অন্য চালক মো. শহিদুল ইসলামের ভাষ্য, ভাঙা এই অংশ দিয়ে রাতে চলাচল করতে বেশি সমস্যা হচ্ছে।
উপজেলা এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চাওড়া ইউনিয়নের কালিবাড়ি-তালুকদারহাট-গাজীপুর অংশে চার কিলোমিটার ৮৬০ মিটার সড়কের সংস্কারকাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে খরচ ধরা হয় আট কোটি ৭৮ লাখ ৪৩ হাজার ২৮৯ টাকা। কার্যাদেশ পায় রাজশাহীর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন। তবে সেই কাজ কিনে নেন চাওড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আখতারুজ্জামান বাদল খান। গত জুলাই মাসে সংস্কারকাজ শেষ হয়। আগস্টের প্রথম সপ্তাহে কালীবাড়ি সেতু ও নাসিমার দোকানের মধ্যবর্তী জায়গায় খালের পাশ ধরে সড়কের প্রায় ২০০ ফুট অংশ সাত-আট ফুট ধসে খালে পড়ে।
গতকাল সকালে দেখা গেছে, ধসের ফলে সড়কের পাশে অবস্থিত ১০-১৫টি বিশাল আকারের রেইনট্রি ও মেহগনি গাছও ধসে পরেছে। নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় লোকজন বাঁশের সঙ্গে লাল কাপড় টানিয়েছেন। ঠিকাদার মো. আখতারুজ্জামান বাদল খানের ভাষ্য, যেখানে সড়ক ধসে পড়েছে সেখানে আবারও নির্মাণকাজ করা হবে।
আমতলী উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী বলেন, সড়কের ওই অংশটা কালীবাড়ি খালের পাশ দিয়ে হওয়ায় সড়কের নিচ দিয়ে সুরঙ্গ হয়েছে। এ কারণেই সড়কটি ধসে পড়ে।
বাংলাদেশ সময়: ০:১৩:৩৮ ৮ বার পঠিত | ● আমতলী ● খাল ● ধস ● সড়ক