ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রচ্ছদ » খুলনা » পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ, হাইকোর্টের নির্দেশনায় সাইনবোর্ড স্থাপন

পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ, হাইকোর্টের নির্দেশনায় সাইনবোর্ড স্থাপন


ভেড়ামারা ( কুষ্টিয়া ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ, হাইকোর্টের নির্দেশনায় সাইনবোর্ড স্থাপন

কুষ্টিয়া: ভেড়ামারা উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের পদ্মা নদী সংলগ্ন পশ্চিম বাহিরচর ও চররূপপুর মৌজার মুন্সিপাড়া তড়িয়া মহালে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জেলা প্রশাসন। মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনা বাস্তবায়নে ওই এলাকায় বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে লাল নিশান ও সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।

‎কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় ও ভেড়ামারা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সম্প্রতি এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মুন্সিপাড়া তড়িয়া মহাল এলাকায় বড় লাল রঙের সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে। সাইনবোর্ডে উল্লেখ করা হয়েছে— মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন ৭০৩০/২০২০ নং মামলার আদেশের ভিত্তিতে পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন এবং অবৈধভাবে বালু পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই আদেশ অমান্য করা দণ্ডনীয় অপরাধ এবং আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এই মুন্সিপাড়া ঘাট ব্যবহার করে একটি প্রভাবশালী অসাধু চক্র পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহন করে আসছিল। যত্রতত্র বালু উত্তোলনের ফলে তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে করে দেশের ঐতিহ্যবাহী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালন শাহ সেতু, কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়ক এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ভারত-বাংলাদেশ কম্বাইন্ড বিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কেপিআই (KPI) স্থাপনাগুলো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

‎প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়নে এবং জাতীয় সম্পদ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ বালু কাটলে বা পরিবহন করলে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানাসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন নদী তীরবর্তী স্থানীয় ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ১৯:২৭:৫৫   ২৬ বার পঠিত  |