ঢাকা    সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রচ্ছদ » ঢাকা » দোহারে কথা-কাটাকাটির জেরে কুপিয়ে জখম

দোহারে কথা-কাটাকাটির জেরে কুপিয়ে জখম


স্টাফ রিপোর্টার,( দোহার )
প্রকাশ: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


 দোহারে কথা-কাটাকাটির জেরে কুপিয়ে জখম

ঢাকা: দোহার উপজেলায় সামান্য কথা- কাটাকাটির জের ধরে আপন বড় ভাইয়ের বউকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে তার দুই দেবর ও জা’য়েরা।
এ সময়ে আহত গৃহবধূ চিকিৎসা নিতে গেলে দুই দেবর ও জা’য়েরা মিলে বড় ভাইয়ের সিমানার ১৭টি বড় গাছ কেটে নিয়ে যায় এমন অভিযোগে ঢাকার বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন গুরুতর আহত গৃহবধূ সম্পা আক্তার(৩৩)।
বিজ্ঞ আদালত এ ঘটনায় দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করতে আদেশ দেন।
সি- আর মামলা নং- ৫৩৩/২৬, তাং- ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং।
অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার মালিকান্দা গ্রামের মৃত. বাদশা মিয়ার ছেলে মামুন হোসেন(৪০) ও মাসুদ(৩৬) এবং অভিযুক্তদের স্ত্রী মোসা: লিজা(২৮) ও লাকী আক্তার (২৯)।
মামলা সুত্রে জানা যায়, বাদীনীর স্বামী মো. সুমন হোসেন দীর্ঘদিন দুবাই প্রবাসী। ছোট দুই ভাই যথাক্রমে মামুন ও মাসুদকে কুয়েত এবং বাহরাইনে পাঠান বড় ভাই সুমনের নিজ খরচে। এ সময়ে বড় ভাই মালিকান্দা কবরস্থান সংলগ্ন ২২ শতাংশের একটি জমি ক্রয় করেন তিন ভাইয়ের নামে। সেখানে ৯শত স্কয়ার ফুটের একটি পাকা ভবন নির্মান শেষে দুই ভাইকে বিবাহ করিয়ে সকলের মাঝে সমান বন্টনে বসবাস করে আসছেন। বড় ভাই প্রবাসে থাকায় ভাইয়ের স্ত্রী সম্পার সাথে দেবরের দুই স্ত্রী’র বনিবনা ছিলো না।এরই জের ধরে চলতি বছরের ১১ এপ্রিল সকালে মামলার বাদী ও তার দুই দেবরের সাথে পল্লী বিদ্যুতের মিটার বসানোকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এসময়ে দেবর মামুন ও মাসুদ এবং তাদের স্ত্রীরা বাদীনীকে বেদম প্রহার করে।

একপর্যায়ে ঘরে থাকা বড় লোহার বটি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। এ সময়ে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে বাদীনীর অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।সেখানে দীর্ঘদিন থেকে চিকিৎসা শেষে তার স্বামীর বাড়িতে না উঠে, পিত্রালয়ে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে আগষ্টের শেষের দিকে স্বামীর বাড়িতে আসলে দেখতে পান তার স্বামীর ভাগ করা জমিতে রোপন করা ১৭টি কাঠ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। যার আনুমানিক মুল্য ৫ লাখ টাকার বেশী।
এ ঘটনায় চলতি সেপ্টেম্বর মাসের ৪ এপ্রিল আদালতে ন্যায় বিচারের আশায় হাজির হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু বক্কর সিদ্দিককে ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন প্রেরনের আদেশ দেন।
এ বিষয়ে মামলার বাদী সম্পা আক্তার বলেন, আমি এখনও অসুস্থ এবং দুই হাতে ভারী কাজ করতে পারি না। আমি এর বিচার দাবী করছি।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৫৪:৪২   ৪১ বার পঠিত  |