![]()
কুড়িগ্রাম: অবশেষে বর্জ শোধনাগারের কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ৪ গ্রামের মানুষের। উলিপুর পৌরসভার বর্জ শোধনাগার নির্মান প্রকল্পটি ২০১৮ সালে ভিত্তি স্থাপনের পর ছয় বছর ধরে নির্মান কাজ বন্ধ ছিল। প্রকল্পেটি সাড়ে ৪ কোটি টাকা ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক(আইডিবি)র অর্থায়নে বাস্তবায়নের উদ্দ্যোগ নেয় জনস্বাস্থ অধিদপ্তর। জমি পরিবর্ত্তনের কারনে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্ধ না থাকায় প্রকল্পটি মুখ থুবরে পড়েছিল। পৌরসভা বাধ্য হয়ে প্রকল্প এলাকায় নাওডাঙ্গা বিলে বর্জ ফেলে ময়লার ভাগার সৃষ্টি করে। খোলা জায়গায় বর্জ ফেলায় বর্জের বিষে বিলের মাছ ধরছিল, ধান চাষ বন্ধ ছিল ও পরিবেশের মারাক্তক বিপর্যয় ঘটেছিল। গত ১০ আগষ্ট দৈনিক সমকালে”বরাদ্ধ জটে আটকা পড়ে সাড়ে ৪ কোটী টাকার প্রকল্প” শীরনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হলে, গত ২০ আগষ্ট থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। বর্জ্য গুলোও অপসারন করা হয়েছে। ফলে এলাকায় ফিরেছে স্ব¯িত।
ব্যবসায়ী মন্জুরুল ইসলাম বলেন,বর্জ্য গুলো অপসারন ও বর্জ্য শোধনাগারের কাজ শুরু হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে। কৃষক নজরুল মাষ্টার বলেন, এখন বিলের মাছও মরবে না। আবাদও করতে পারবেন বলে তার আশা।
ঠিকাদার আমিনুর রহমান বলেন, কাজ শুরু করেছি যত তাড়াতাড়ি পারি কাজ শেষ করব বলে জানান।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য সহকারী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন,প্রকল্পটি বাস্থবায়ন হলে মানব বর্জ্য ও সাধারন বর্জ্য শোধন ও প্রক্রিয়াজাত করা হবে। তিনি দ্রুত প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে বলে জানান।
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর আলম বলেন,আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই কাজ শেষ হবে। তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্থবায়ন হলে পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করন করে সার তৈরী করা যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বর্জ্য ও আগ্রহী কোন সংস্থা বা উদ্দ্যোগতা পাওয়া গেলে ভাল হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক এটিএম আরিফ বলেন,অনেক চেষ্টা ততবির করে কাজটা শুরু করতে পেরেছি। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশা বাদী।
বাংলাদেশ সময়: ২১:৪১:৩১ ১৬ বার পঠিত | ● উলিপুর ● নির্মান ● বর্জ্য ● শোধনাগার