ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রচ্ছদ » রংপুর » পীরগঞ্জে বিএসএফের গুলিতে নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা জামায়াতের

পীরগঞ্জে বিএসএফের গুলিতে নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা জামায়াতের


পীরগঞ্জ ( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পীরগঞ্জে বিএসএফের গুলিতে নিহত আসাদুলের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা জামায়াতের

ঠাকুরগাঁও: পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের চান্দেরহাট সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এর গুলিতে বাংলাদেশি যুবক আসাদুল হকের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে দলটি সীমান্তে বিএসএফের গুলি করে মানুষ হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিহত আসাদুল হকের পরিবারের খোঁজখবর নিতে তাঁর বাড়িতে যান ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন প্রধান। এ সময় তিনি নিহতের স্ত্রী আরিফা বেগমের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন প্রধান বলেন, “পাখির মতো গুলি করে মানুষ না মেরে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা যেত। সীমান্তে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।সে সাথে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।”
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর বাবুল আহাম্মেদ, উপজেলা সাবেক আমীর ও জেলা জামায়াতের ইউনিট সদস্য বাবলুর রশিদ, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কাশেম, ঠাকুরগাঁও জেলা ইউনিটের সদস্য ডা. গোলাম মোস্তফা, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি নুরুজ্জামানসহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার দিবাগত রাতে পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দেরহাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের ৩৩৩ নম্বর মেইন পিলারের কাছাকাছি ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফের চকশিবানন্দ ক্যাম্পের সদস্যদের গুলিতে আসাদুল হক গুলিবিদ্ধ হন। বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, সীমান্ত পিলার থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আসাদুল হককে ভারতের কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় মোস্তাকিম (৩২) ও শ্রী উধা চন্দ্র রায় (৩৪) আহত হন এবং তারা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রয়েছেন বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।
পরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার রাত ৯টার দিকে দানাজপুর সীমান্ত দিয়ে আসাদুল হকের মরদেহ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর রাত সাড়ে ১০টায় ইন্দ্রইল গ্রামের নিজ এলাকায় জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২৩:০১:৪০   ৫ বার পঠিত  |