![]()
ফরিদপুর: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়, সেখান থেকে প্রেম; সেই সম্পর্ক গড়িয়েছে বিয়েতে। চীনা নাগরিক বলে পরিচয় দেওয়া ওয়াং চাও বিয়ের আগে নিজের নাম পরিবর্তন করে হয়েছেন আরিফ ইসলাম। ফরিদপুরের সালথা উপজেলার এক কলেজছাত্রীকে বিয়ে করে এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিনি। নবদম্পতিকে একনজর দেখতে নকুলহাটি গ্রামে ভিড় করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
ওই যুবকের নাম ওয়াং চাও (২৫)। তিনি চীনের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। বর্তমানে তার নাম আরিফ ইসলাম। তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার (২০) ফরিদপুর শহরের সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। তার বাড়ি সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের নকুলহাটি গ্রামে।
তাহমিনার পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওয়াং চাওয়ের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শুরুতে তাহমিনার পরিবার এ সম্পর্ক মেনে নিতে রাজি ছিল না। তবে বিয়ের বিষয়ে তাহমিনার অনড় অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত পরিবার সম্মতি দেয়।
গত ১৯ অক্টোবর ঢাকায় তাহমিনার পরিবারের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের আগে কোর্ট অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন ওয়াং চাও। একই সঙ্গে নিজের নাম পরিবর্তন করে রাখেন আরিফ ইসলাম।
বিয়ের পর গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি নকুলহাটি গ্রামে বেড়াতে আসেন আরিফ। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তাকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ। পরে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে তারা সেখান থেকে চলে যান।
তাহমিনার পরিবার জানিয়েছে, আরিফের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাদের জানা নেই। বর্তমানে তাহমিনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরির কাজ চলছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তারা দুজনই চীনে চলে যাবেন।
এ বিষয়ে আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন বলেন, ‘লোকমুখে আজই বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমি ওই বাড়িতে যাচ্ছি। পরে আপনাকে বিস্তারিত জানাব।’
বাংলাদেশ সময়: ১:৪১:০৫ ৩ বার পঠিত | ● আরিফ ইসলাম ● চীনা নাগরিকের বিয়ে ● তাহমিনা আক্তার ● ফরিদপুর সালথা