![]()
ভোলা: চরফ্যাসনে দাবীকৃত চাঁদা না পেয়ে ইটভাটায় হামলা ও ভাংচুর লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে শশীভূষণ থানার চর কলমী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রিফাত ইটভাটায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় ইটভাটার অফিস কক্ষ রক্ষা করতে গেলে হামলাকারীদের হামলায় ইটভাটার শ্রমিক আবুল কাসেম(৪২), মো. মিলন(৩৯) নামের দুই জন আহত হয়েছে। পরে খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন।স্থানীয়রা আহত দুইজনকে উদ্ধার করে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। এঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে ইটভাটা মালিক সুত্রে জানাগেছে।
ইটভাটা মালিক নুরউদ্দিন খান অভিযোগ করেন, স্থানীয় চাঁদাবাজ চক্রের হোতা মো. সুমন ও সাদ্দাম ভাটায় ইট প্রস্তুতের আগে থেকেই আমার ভাটায় গিয়ে ইটকাটার কাজে বাধা দেন। এবং ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা ও ৫০হাজার ইট দাবী করেন। তাদের দাবীকৃত চাঁদা ও ইট দিতে অস্বীকার করলে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে ইটের ভাটা ভাংচুরের হুমকি দেন। হুমকি ধামকীর ঘটনায় গত ৩১ ডিসেম্বর শশীভূষণ থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত ওই চাঁদাবাজ চক্র সুমন ও সাদ্দমসহ তাদের দলবল।
বুধবার দুপুরে ওই চক্র ট্রাক নিয়ে ভাটায় গিয়ে ইট লুটের চেষ্টা করেন। এবং তারা আমার ইটের ভাটায় গিয়ে সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। এসময় ভাটায় দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত দুই কর্মচারী বাধা দেন। এসময় তারা জোটবদ্ধ হয়ে ২৫/৩০ জনের একটি চক্র আমার ভাটায় হামলা ও ইটভাটার অফিসে ভাংচুর করেন। এবং অফিসের আলমারিতে থাকা প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকাসহ প্রয়োজনীয় আসবার পত্র লুট করে নিয়ে যান। এসময় দুই শ্রমিক বাধা দিলে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করেন। খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।
ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত সুমন ও সাদ্দম মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে গা-ঢাকা দেয়ায় তাদের বক্তব্য জানাযায়নি। এবং ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোন সাড়া পাইনি।
শশীভূষন থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি।
তবে এঘটনায় ইটভাটা মালিক পক্ষের কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এন/এন
বাংলাদেশ সময়: ২৩:১৬:৫৬ ১৮৪ বার পঠিত | ● ইটভাটা ● চরফ্যাসন ● হামলা