![]()
নারায়ণগঞ্জ: আড়াইহাজারে ইয়াবা দিয়ে বিএনপির এক স্থানীয় নেতার এক ওষুধের দোকানে গিয়ে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে ২ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন- গোপালদী তদন্ত কেন্দ্রের সহকারী উপ পরিদর্শক (এএসআই) কুতুবউদ্দিন (৪৫) ও কনস্টেবল আবুল খায়ের (৩৫)। মঙ্গলবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলার সহকারি পুলিশ সুপার (গ-অঞ্চল) মেহেদী হাসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে গোপালদী তদন্ত কেন্দ্রের দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ফার্মেসিতে ইয়াবা রেখে চাঁদা দাবির ঘটনায় ভ‚ক্তভোগী ওষুধের দোকানের মালিক সাদেকুর রহমান নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে সাদেকুর রহমান উল্লেখ করে, তিনি গোপালদী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। তার গোপালদী বাজারে একটি ফার্মেসী রয়েছে।
গত ৪ জুন উপজেলার গোপালদী তদন্ত কেন্দ্রের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) কুতুবউদ্দিন (৪৫) ও কনস্টেবল আবুল খায়ের (৩৫)সহ অজ্ঞাত আরও তিন জন মিলে তার দোকানে আসে। এসময় তারা নানান কথাবার্তার এক পর্যায়ে একটা সিরাপ হাতে নিয়ে জিজ্ঞেস করে এটা কীসের, তিনি উত্তরে জানান এটি একটি ভিটামিনের সিরাপ। এসময় সিরাপের বোতলের পেছনে লুকিয়ে থাকা একটি কাগজের প্যাকেট বের করেন তারা। এসময় সেই প্যাকেট থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্যাকেটটিতে ৪৫ থেকে ৪৯টির মত ইয়াবা ছিল।
এসময় পুলিশ সদস্যরা দেড় লাখ টাকা চায় এবং টাকা না দিলে গ্রেপ্তার করবে বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরবর্তীতে স্থানীয় বিএনপি নেতারা এগিয়ে আসার পর সাদেকুরের পরিচয় জানতে পেরে তারা চুপ হয়ে যায়। এসময় উপস্থিত সোহেল তানভীর ৫০ হাজার টাকায় মীমাংসার কথা বললে তারা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।
এ ঘটনায় যথাযথ তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) প্রত্যুষ কুমার মজুমদারের প্রতি আবেদন জানান তিনি। পরে ওই দিন বিকেলে পুলিশ সুপার দুই পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
আর/ এন
বাংলাদেশ সময়: ২০:৫৭:৫৬ ৭০ বার পঠিত | ● আড়াইহাজার ● ক্লোজ ● পুলিশ সদস্য