ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
প্রচ্ছদ » শিরোনাম » ঝড় তুফানের বারি খাইয়া পাকা ঘর পাইছি এহন আরামে থাকমু

ঝড় তুফানের বারি খাইয়া পাকা ঘর পাইছি এহন আরামে থাকমু


এম,এ আহমদ আজাদ, নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ)
প্রকাশ: সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫


ঝড় তুফানের বারি খাইয়া পাকা ঘর পাইছি এহন আরামে থাকমু

হবিগঞ্জ: নবীগঞ্জে সেনাবাহিনীর একটি মানবিক কান্ডে হাসি ফুটেছে দুটি পরিবারের মুখে। কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে “বাস্তুভিটাহীন” দুটি পরিবার পেয়েছে মাথা গুজার টাই । অসহায় দুটি পরিবার নতুন ঘর পেয়ে অনেক খুশি। সেনাবাহিনীর মানবিক সেবা নিয়ে এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে।সোমবার দুপুরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাদের নির্মিত ঘর দুটি “বাস্তুভিটাহীন” দুটি পরিবারকে হস্তান্তর করেন। এসময় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সেনাকর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় দুটি পরিবারকে ঘরের চাবি ও ঘরের বাকি সংস্কারের জন্য নগদ কিছু টাকা প্রদান নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং সেনা ক্যাম্পের দায়িত্ব প্রাপ্ত ইনচার্জ মেজর আশরাফুল ইসলাম তামিম।
যে দুটি পরিবারকে ঘর প্রদান করা হয়। তারা হলেন বন্যায় বাস্তুভিটাহীন পরিবার দীঘলবাক ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামের অর্জুন বিস্বাস(৪৮) এর পরিবারের ৩ মেয়ে ১ ছেলে মোট ৬ জন। ও একই গ্রামের আব্দুর রহিম(৪২) এর ছেলে ১ মেয়েসহ মোট সদস্য ৫জন। এই দুটি পরিবারকে গতকাল সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নতুন নির্মিত ঘর দুটি বুঝিয়ে দেয়া। এসময় স্থানীয় মেম্বার আকুল মিয়া সহ গ্রামের বিশিষ্ট গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে কিছু দিন আগে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ কুশিয়ারার ডাইকের পাশে গালিম পুর গ্রামের নদী ভাঙ্গনে কয়েকটি অসহায় গরীব পরিবার ভিটা বাড়িহীন হয়ে পড়ে। সেনাবাহিনীর বিশেষ টহল টিম কুশিয়ারা ডাইক পরিদর্শনে গেলে এই দুটি পরিবারের চিত্র চোখে ধরা পড়ে ফলে তাদেরকে নতুন বাড়ি ও ঘর করে দিলেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
এব্যাপারে অর্জুন বিস্বাস বলেন, “আমি চেলে মেয়ে নিয়া, একদম অসহায় হয়ে পড়েছিলাম, কি করবো কোথায় বাচ্চাখাচ্ছাদের থাকমু চিন্তায় ছিলুম” সেনাবাহিনীর ঘর বাড়ি পাইয়া অনেক খুশি হইছি, আল্লাহ আমারে আলাউদ্দিনের চেরাগ দিছইন”
আব্দুর রহিম বলেন “কিতা কইতাম আমি আকাশের চাঁদ হাতে পেয়েছি” এহন কো কিছু চিন্তা করে পাইছিলাম না তখন মাথা গুজার টাই দিয়েছেন আমার ( সেনাবাহিনী) বাবারা” কত ঝড় তুফানের বারি খাইয়া এখন পাকা ঘর পাইছি” আমি এক মেয়ে ও তিন ছেলে নিয়া আরামে থাকমু।
স্থানীয় মেম্বার আকুল মিয়া বলেন, আমার ওয়ার্ডের মানুষ খুব খুশি সেনাবাহিনীর মানবিক আচরণে। এই ঘর বাড়ি না পেলে দুটি পরিবার এলাকা ছেড়ে চলে যেতো। এখন তারা পাকা বাড়ি পাইছেন খুশির সীমা নাই।
বানিয়াচং সেনা ক্যাম্পের দায়িত্ব প্রাপ্ত ইনচার্জ মেজর আশরাফুল ইসলাম তামিম তিনি বলেন মানবিক কাজ সেনাবাহিনী সব সময় করে আসছে।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২২:১৬:৩৩   ১১১ বার পঠিত  |