![]()
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: নবীনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে যথাযথ মর্যাদার দিনটি পালন করেছে উপজেলা প্রশাসক। জেলা প্রশাসক ও নবীনগর উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে নবীনগরে জুলাই শহীদ উপজেলার বিটঘর গ্রামের বীর শহীদ তানজিল মাহমুদ সুজয়সহ উপজেলার পাঁচ শহীদের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব রাজীব চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন নবীনগর এস আর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা রফিকুল ইসলাম। পরে ইউএনও রাজীব চৌধুরী শহীদ তানজিল মাহমুদ সুজয়ের শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন। শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও স্মৃতিচারণার প্রতীক, যা নবীন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গের মহান চেতনায়।
তানজিল মাহমুদ সুজয় (১৯) ছিলেন গাজীপুর ভাওয়াল সরকারি বদরে আলম কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিটঘর গ্রামের মো. শফিকুল ইসলামের একমাত্র ছেলে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি ছিলেন অগ্রণী কণ্ঠস্বর।
গত বছরের ৫ আগস্ট সকালেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন ছাত্র আন্দোলনে। বিকেলে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের খবরে দেশজুড়ে বিজয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যে আশুলিয়ায় উল্লসিত জনতার মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন তানজিল মাহমুদ সুজয়। পরে নির্মমভাবে তার মরদেহ ভ্যানগাড়িতে তুলে পুড়িয়ে ফেলা হয়।বাকি চার জন- শহীদ রফিকুল ইসলাম, শহীদ কামরুল মিয়া, শহীদ জাহিদুজ্জামান তানভীন ও শহীদ মো. জাহিদ হোসেনের সমাধিতেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২৩:২৮:২০ ১৫৩ বার পঠিত | ● গণঅভ্যুত্থান ● জুলাই ● নবীনগর