![]()
ঠাকুরগাঁও: পীরগঞ্জ উপজেলার শত বর্ষের ঐতিহ্যবাহী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহজালাল সাজুর নানা অনিয়ম-দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, নিয়মবহিরভূত ভাবে শিক্ষক ও কর্মচারীদের চাকরীচ্যুত করা এবং এক বছরেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ১১ দফা বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবীতে মানববন্ধন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরীচ্যুত কর্মচারীদের পরিবারর্গের ব্যানারে এ মানববন্ধন হয়।
মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহজালাল সাজু দায়িত্ব পাওয়া পর থেকেই বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কর্মচারী সাথে খারাপ আচরণ করে আসছেন। সদ্য সমাপ্ত এসএসসি পরীক্ষায় সচিব থাকার সুবাদে ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী প্রতি ৩০/৫০ টাকা আদায় করাসহ প্রতিষ্ঠানের দোকান পাটের ভাড়ার টাকা নানা কৌশলে নিজের হস্তগত করে রেখেছেন। নিজের খেয়াল খুশিমত শিক্ষক ও কর্মচারীদের চাকরী থেকে বাদ দিচ্ছেন। চাকরী হারিয়ে অনেকে এখন দিশেহারা।
জুলাই গনঅভ্যুস্থানের পর বিদ্যালয় সংস্কারের সাধারণ ছাত্রদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবী জানানো হয়। এক বছর পেরিয়ে গেলেও এর একটি দাবীও বস্তবায়ন করা হয়নি।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে ওই প্রধান শিক্ষক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রদের আন্দোলন দমাতে লাঠি হাতে ৪ আগষ্ট জয়বাংলা মোড়ে দাড়িয়ে ছিলেন। বিদ্যালয়ের উন্নয়ন সহ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করণ ও ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারকে সহযোগিতা করায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণ চান তারা।
মানববন্ধনে চলাকালে বক্তব্য দেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সাকিব আহেমদ সোহান, সাংবাদিক বাদল হোসেন, পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র মোঃ রুবেল, সাদ্দাম, রাকিব, শিক্ষার্থী নাফিস ইকবাল, চাকরীচ্যুত কর্মচারী বনমালি প্রমূখ।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহজালাল সাজু জানান, নিয়ম ভেঙ্গে কিছু করেননি তিনি। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়।
এ বিষয়ে মতামত জানতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি রকিবুল হাসানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ডিসি আফিসে মিটিংএ আছেন বলে জানান।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২০:২৬:০৯ ১৬০ বার পঠিত | ● অপসারন ● পীরগঞ্জ ● শিক্ষক