![]()
ঢাকা: ঢাকা-১(দোহার) ২০০১ সালের পূর্বের সীমানা ফেরানোর দাবি জানিয়ে পথসভা ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন দোহারের বিএনপি’র আংশিক নেতাকর্মি, এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মিরা।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার করম আলীর মোড় এলাকায় বিএনপি,এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদের প্রায় পাচঁ শতাধিক নেতাকর্মি নিয়ে পথসভা ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ মিছিলটি করম আলীর মোড় এলাকা হয়ে উপজেলার কালেমা চত্তরে এসে শেষ হয়।
সাবেক ঢাকা জেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক এ্যাডভোকেট ফজলুল হক বেলায়েদী’র সভাপতিত্বে পথ সভায় বক্তব্য রাখেন জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন-আহবায়ক কে.এম খালেদুজ্জামান জুয়েল, ঢাকা জেলা বিএনপি’র সাবেক দপ্তর সম্পাদক এ্যাডভোকেট মনির হোসেন রানা, দোহার উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি খন্দকার শাহীন মাহমুদ, দোহার উপজেলা যুবদলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিঠু, আতিকুর রহমান আতিক, আক্কাস আলী খান, হুমায়ন কবির, মহসিন উদ্দিন খান মাসুম, মুকসুদপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি কাজি মিজানুর রহমান, ঢাকা জেলা এনসিপির সভাপতি রাসেল আহম্মেদ, গণঅধিকার পরিষদের দোহার শাখার সভাপতি নাছির উদ্দিন পল্লব প্রমুখ।
জাতীয়তাবাদী সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) যুগ্ম-আহ্বায়ক ও দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা কে এম খালেদুজ্জামান জুয়েল তার বক্তব্যে বলেন, ২০০৮ সালে ফ্যাসিজম কায়দায় নবাবগঞ্জ উপজেলা ও দোহার উপজেলাকে মিলিয়ে ঢাকা-১ আসন নামে একটি আসন করা হয়। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরও এখনো সেই চিত্র আমরা দেখছি। ২০০১ সালের সীমানা অনুযায়ী নবাবগঞ্জকে ঢাকা-২ আসন ও দোহারকে ঢাকা-১ আসন করার দাবি জানান।
পরবর্তীতে পথসভায় বক্তারা নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে বলেন, ‘বিগত সরকারের স্বৈরাচারী ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার অন্যতম হাতিয়ার ছিল ঢাকার আসন ১৩টি থেকে বাড়িয়ে ২০টি করা। ঐ সরকারের সব কর্মকান্ডই ছিল ঢাকা কেন্দ্রিক। বিগত সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক আন্দোলন- সংগ্রামে স্বৈরাচারী সরকার শুধু ঢাকাকে নিয়ন্ত্রণ করে পুরো দেশ পরিচালনা করত। তাই দোহারবাসীর সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমরা কি আবারও কোনো স্বৈরাচারী সরকার চাই কি না? আগামী দিন স্বৈরাচারী নাকি জনবান্ধব সরকার আসবে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করছে দোহার ও নবাবগঞ্জ আসন পৃথকের ওপর।
আপনারা যদি ভবিষ্যতে স্বৈরাচারী সরকার না চান, তাহলে ২০০৮ সালে কমবেশি ১৫০ আসন কাটা-ছেঁড়া করা নির্বাচনি সীমানা পুনর্র্নিধারণ করতে হবে। ‘২০০৮ সালের আগের সব নির্বাচনে দোহার উপজেলা নিয়ে ঢাকা-১ ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে ঢাকা-২ আসন গঠিত ছিল। এই দুই আসনের সিংহভাগ মানুষ মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী হওয়ার অপরাধে ২০০৮ সালে দুইটি আসনকে একটিতে রূপান্তর করা হয়েছে। গত ১৭ বছর আমাদের এলাকায় কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।
আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে দোহার গঠিত এবং নবাবগঞ্জ ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে আলাদা আলাদা স্বতন্ত্র প্রশাসনিক এলাকা। দুই উপজেলা মিলে আয়তন ৪০০ বর্গকিলোমিটারে ওপরে। এত বড় সংসদীয় আসনে একজন জনপ্রতিনিধির প্রতিনিধিত্ব করা কঠিন।’ তাই আমরা দোহার উপজেলাকে ঢাকা-১ আসন ও নবাবগঞ্জ উপজেলাকে আলাদা ঢাকা-২ আসন নির্ধারণ করার দাবি জানাচ্ছি।
জাতীয় নাগরিক পার্টি, এনসিপি’র ঢাকা জেলার প্রধান সমন্বয়ক মো. রাসেল আহম্মেদ, জাসাসের নেতৃবৃন্দসহ বিএনপি’র আরও কয়েকজন তাদের বক্তব্যে একই দাবি জানান।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২৩:৩৮:৪৮ ৩৩৭ বার পঠিত | ● ঢাকা-১ আসন ● দাবী ● দোহার ● পথসভা ● সীমানা