ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
প্রচ্ছদ » চট্রগ্রাম » নবীনগরে বিশ্ব বরন্যে সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ’র মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

নবীনগরে বিশ্ব বরন্যে সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ’র মৃত্যুবার্ষিকী পালিত


মাহাবুব আলম লিটন,নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
প্রকাশ: শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫


নবীনগরে বিশ্ব বরন্যে সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ’র মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: নবীনগরে বিশ্ব বরন্যে সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ’র মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। শনিবার নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়।

জানাযায়,ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ১৮৬২ সালের ৮ অক্টোবর তৎকালীন ত্রিপুরা জেলার (বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া) নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭২ সালের এই দিনে ভারতের মাইহারে পরলোকগমন করেন। তাঁর পিতার নাম সাবদর হোসেন খাঁ ওরফে সদু খাঁ এবং মাতার নাম সুন্দরী বেগম। আজ সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ’র ৫৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শিবপুরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সুর সম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ ডিগ্রি কলেজ অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ওয়ারেন হেস্টিংস তখন ভারতের বড়লাট। সন্ন্যাসী ও ফকিরদের উপর এ সময় নেমে আসে অত্যাচারের ষ্টীম রোলার। ক্রমাগত নিপীড়ণে অতিষ্ঠ হওয়ার ফলে শুরু হয় সন্ন্যাসী আন্দোলন এবং ফকির বিদ্রোহ। মজনু শাহ, মূসা শাহ, চেরাগ আলী, নূরুল মোহাম্মদ এরাই ছিলেন সেদিনকার ফকির বিদ্রোহের কর্ণধার। ফকির বিদ্রোহের এক সাহসী সৈনিকের নাম সিরাজুদ্দিন খাঁ। আসামের জঙ্গলে ইংরেজদের মুখোমুখি এক সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় এক বৃদ্ধ ফকিরের সেবা শুশ্রূষায় তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং ফকিরের কন্যা নয়তন বিবিকে বিয়ে করে সংসারের পথে পা বাড়ান।পরবর্তী সময়ে স্ত্রীর ইচ্ছায় সিরাজ খাঁ আসামের বনভূমি ছেড়ে নবীনগরের শিবপুর গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। এভাবেই শিবপুর গ্রামে খাঁ বংশের গোড়াপত্তন হয়।

ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ’র পিতা সদু খাঁ ছিলেন বিখ্যাত সেতার বাদক। আগরতলার তৎকালীন মহারাজা বীরবিক্রম মাণিক্য মহারাজের রাজদরবারের সভাবাদক ও মিয়া তানসেনের বংশধর ওস্তাদ কাসেম আলী খাঁ’র কাছ থেকে সদু খাঁ যন্ত্রসঙ্গীতের তালিম গ্রহণ করেন। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ উত্তরাধিকার সূত্রে পিতা সদু খাঁ’র নিকট থেকে সঙীতানুরাগের বিশেষ গুণটি অর্জন করেন। সদু খাঁ প্রতিদিন খুব ভোরে সেতার বাজাতেন। সেতারের টুং টাং মিষ্টি সুরে শিশু আলাউদ্দিনের ঘুম ভাঙতো। শুয়ে শুয়েই চুপচাপ শুনতেন সেতারের ঝংকার। এভাবেই সংগীতের প্রতি তার আগ্রহ প্রবলতর হয়। স্কুলের লেখাপড়ায় তার মন বসত না, ভালো লাগতো রাখালের বাঁশির সুর। গ্রাম্য আখড়ার গান, মাঝির কন্ঠের ভাটিয়ালী।

বয়স যখন দশ কি বারো, সে সময় তিনি একদিন সকলের অজান্তে একটি পুটলি সম্বল করে ঘর ছেড়ে পালালেন। ঐ পুটলিতে ছিলো একটা গামছা, একটা জামা, মায়ের জমানো কিছু টাকা। পথিমধ্যে দেখা হলে এক যাত্রাদলের সাথে। ভিড়ে গেলেন যাত্রাদলে। এই যাত্রাদলের সাথে ঘুরতে ঘুরতে ঢাকা এলেন। ঢাকা থেকে আবার একদিন একলাই চলে গেলেন কলকাতায়। উদ্দেশ্য কোন নামকরা ওস্তাদের কাছে সংগীতের তালিম নেবেন। কলকাতায় নেমে তো তিনি হতভম্ব।

এতে বড় শহর আর উপর এখানে তার কোন আত্মীয় স্বজন কিংবা পরিচিত লোক নেই- এখন উপায়! লঙ্গরখানায় দু’বেলা আধপেটা খান আর রাতেরবেলা ডা: কেদার নাথের সিড়িতে ঘুমান। এমতাবস্থায় একদিন ঘুম থেকে জেগে দেখলেন মাথার নীচের পুটলিখানা উধাও! দুঃখে হতাশায় কাঁদতে লাগলেন তিনি। ডাঃ কেদার নাথ আদর করে তাকে কাছে ডেকে নিলেন, জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারলেন বালকের ঘর পালানোর ইতিবৃত্ত, গভীর সংগীতানুরাগের কথা। তিনি আলাউদ্দিনকে সেদিন থেকে নিজ বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করলেন।

কলকাতার বিখ্যাত জমিদার সৌরীন্দ্র মোহন ছিলেন দারুণ সঙ্গীত প্রিয় মানুষ। তাঁর বাড়িতে প্রায়ই গানের জলসা বসতো। গান গাইতে আসতেন বিখ্যাত সঙ্গীত সাধক ওস্তাদ গোপাল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য ওরফে নুলো গোপাল। ডাঃ কেদার নাথের মাধ্যমে ওস্তাদ নুলো গোপালের সাথে এখানেই আলাউদ্দিনের পরিচয় হয়। আলাউদ্দিন নুলো গোপালের শিষ্যত্ব গ্রহণ করলেন। শর্ত- কমপক্ষে বারো বছর সরগম সাধনা করতে হবে। আলাউদ্দিন যে কোন শর্তেই রাজী। কিন্তু শিষ্যত্ব গ্রহণের সাত বছর কাটতে না কাটতেই প্লেগরোগে নুলো বাবু মারা গেলেন। আবার নতুন ওস্তাদ খোঁজার পালা শুরু। পেটের দায়ে চাকরি নিলেন কলকাতার মিনার্ভা থিয়েটারে- তবলচী হিসেবে। বেতন মাসে বারো টাকা।

এসময় মি. লবো নামক এক গোয়ানীজ ব্যান্ড মাষ্টারের কাছে তিনি বেহালায় তালিম নিতে শুরু করেন। লবো সাহেবের স্ত্রীর কাছেও শিখতে লাগলেন পাশ্চাত্য সঙ্গীতের শুদ্ধ স্বরলিপি। এছাড়া ওস্তাদ অমর দাশ নামক একজন সংগীত শিক্ষকের নিকটও দেশীয় ঢংয়ে বেহালা বাদনের শিক্ষা গ্রহণ করেন।বিখ্যাত মৃদঙ্গবাদক নন্দলালের কাছে শিখলেন পাখোয়াজ। ওস্তাদ অমৃতলাল দত্ত ওরফে হাবু দত্তের কাছে শিখলেন ক্ল্যারিওরেট, বাঁশি, পিকলু, সেতার, ম্যাণ্ডোলিন, ব্যাঞ্জো প্রভৃতি যন্ত্রের বাদন। হাজারী ওস্তাদের কাছে তালিম নিয়ে শিখলেন সানাই, নাকারা ও টিকারী। এভাবেই তিনি দিনে দিনে নিজেকে সর্ববাদ্য বিশারদ হিসেবে গড়ে তুললেন।

একদিন মিনার্ভা থিয়েটার থেকে বেরুতেই বড় ভাই ওস্তাদ আপ্তাবউদ্দিনের সাথে দেখা। ওস্তাদ আপ্তাব উদ্দিন ছোট ভাই আলাউদ্দিনকে গ্রামের বাড়ি শিবপুরে নিয়ে যেতে এসেছেন। বড় ভাইয়ের সাথে বাড়ি ফিরেই আলাউদ্দিনকে বিয়ে করতে হলো। মা সুন্দরী বেগমের চাপে পড়ে বিয়ে করলেন মদিনা বেগমকে। কিন্তু বিয়ের রাতেই সুরপাগল আলাউদ্দিন নববধূ মদিনা বেগমকে ফেলে আবার উধাও হলেন। আবার সেই কলকাতা।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার তৎকালীন জমিদার অত্যন্ত সংগীত রসিক ছিলেন। তাঁর আমন্ত্রণে ওস্তাদ আলাউদ্দিন মুক্তাগাছায় আসেন। পরিচয় হয় বিখ্যাত সরোদ বাদক ওস্তাদ আহমদ আলী খা’র সাথে। ওস্তাদ আহমদ আলীর সরোদ বাদন শুনে তিনি তাঁর শিষ্য হলেন এবং মন প্রাণ সঁপে দিলেন সরোদ শিক্ষায়। পরবর্তীকালে ওস্তাদ আহমদ আলী খা’র সাথে এক সঙ্গীত সফরে তিনি পাটনা, কাশী ঘুরে ওস্তাদের বাড়ি রামপুরে আশ্রয় গ্রহণ করেন। ওস্তাদ আহমদ আলীর কাছে তিনি চার বছর সরোদ বাজনা শিখেন।

সেসময় ভারতীয় দ্রুপদ সংগীতের আরেক দিকপাল রামপুরে বাস করতেন- ওস্তাদ ওয়াজীর খাঁ। তিনি ছিলেন রামপুরের নবাব হামিদ আলী খা’র সঙ্গীত গুরু। অনেক চেষ্টা তদবীরের পর এক নাটকীয় ঘটনার মাধ্যমে হামিদ আলী খা’র সুপারিশ লাভ করে আলাউদ্দিন খাঁ ওয়াজীর খাঁ’র শিষ্যত্ব গ্রহণ করার দুর্লভ সুযোগ পান। এখানে তিনি দ্রুপদ, ধামার ও রাগ সঙ্গীতের সুক্ষ রীতি পদ্ধতি সম্পর্কে প্রকৃত পারদর্শিতা অর্জন করেন। এছাড়া রবাব ও সুর শৃঙ্গার থেকে শুরু করে অন্যান্য বাদ্যযন্ত্রের বিস্ময়কর দক্ষতা লাভ করেন। সুর সাধনা করতে করতে একসময় প্রবর্তন করলেন বিশ্ব বিখ্যাত এক নতুন সংগীত ঘরানা- যার নাম ‘আলাউদ্দিন ঘরানা’। দীর্ঘদিন সাধনার পর আলাউদ্দিনের সাংগীতিক প্রতিভায় ওস্তাদ ওয়াজীর খাঁ সন্তুষ্ট হলেন। অবশেষে তিনি আলাউদ্দিনকে কর্মজীবনে প্রবেশের অনুমতি দিলেন।

ওস্তাদ আলাউদ্দিন চাকুরি নিলেন মধ্যপ্রদেশের সামন্ত রাজ্য মাইহার রাজদরবারে ‘দরবার সঙ্গীতজ্ঞ’ হিসেবে। ধীরে ধীরে ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ’র খ্যাতি স্বদেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও পৌঁছতে শুরু করে। ১৯৩৪ সাল থেকে ১৯৩৫ সাল পর্যন্ত তিনি বিশ্বসফর করেন।

এসময় তিনি ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়া, আফ্রিকার বহুদেশ সফর করেন। ১৯৩৬ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি পবিত্র হজ্জও পালন করেন। সারাজীবনভর সাধনায় তিনি বহু রাগরাগিণী আবিষ্কার করেন। তন্মধ্যে হেমন্ত, প্রভাতকেলী, হেম বেহাগ, বসন্ত বেহাগ, শেখ বাহার, প্রভাতী রাগ উল্লেখযোগ্য।

সংগীতে অমূল্য অবদানের জন্য বৃটিশ সরকার তাঁকে ‘খাঁ সাহেব’ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ‘পি এইচ ডি’, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডক্টর অব ল’, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ‘দেশিকোত্তম’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লা হল ও ফজলুল হক হল ‘আজীবন সদস্য’ এবং ভারত সরকার তাঁকে ‘পদ্মভূষণ’ ও পদ্মবিভূষণ খেতাবে সম্মানিত করেন।

বিশ্বনিন্দিত সংগীত সম্রাট হয়েও তাঁর মনে অহংকারের ছিটেফোঁটা ছিলো না। গ্রামের মানুষের সাথে তাঁর ছিল নাড়ির সম্পর্ক। গ্রামের মানুষের আবদার রক্ষা করে তিনি শিবপুরে একটি পুকুর কাটান এবং সেই সাথে একটি পাকা মসজিদও তৈরী করে দেন। তাঁর অতি আদরের কন্যা রওশন আরা বেগম অন্নপূর্ণাকে তিনি তাঁর প্রিয় শিষ্য ভারত বিখ্যাত সেতার বাদক পণ্ডিত রবিশংকরের সাথে বিয়ে দেন। অবশ্য পরবর্তী সময় এই বিয়ে টিকেনি।

ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ভারতের মাইহার রাজ্যে আজীবন বসবাস করেন। সেখানেই তৈরি করেন নিজের বাড়ী ‘মদিনা ভবন’। এই মদিনা ভবনে ১৯৭২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সংগীত ভবনের কিংবদন্তি পুরুষ সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ইন্তেকাল করেন। অথচ এই বিশ্ব বিখ্যাত সুরসম্রাটের জন্মভূমি শিবপুর গ্রাম এখনও রয়ে গেছে অবহেলিত। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান নামে কালচারাল কমপ্লেক্স’ নির্মাণসহ স্মৃতি রক্ষার্থে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু তা আদৌ বাস্তবায়ন হয়নি।
সাবেক ইউএনও একরামুল সিদ্দিক সরাসরি শিবপুরে গিয়ে তার বাবা মা’র কবরগুলো সংস্কার করেন। তাঁর উদ্যোগে কবরগুলোকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় পুনঃস্থাপন করা হয় এবং নির্মাণ করা হয় সুরসম্রাটের কারুকার্য সম্বলিত একটি ভাস্কর্য।
বর্তমানে শিবপুরে ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর বাবা-মায়ের কবর, বড় ভাই ফকির আফতাব উদ্দিন খাঁর সমাধি এবং সুরসম্রাটের উদ্যোগে স্থাপিত মসজিদ ছাড়া তেমন কিছু নেই। এলাকাবাসীর উদ্যোগে স্থাপিত ‘সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ মহাবিদ্যালয়’ রয়েছে। তবে ‘ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সংগীত জাদুঘর’ এখনও নির্মাণ হয়নি। কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য কে.এম. মামুনুর রশিদ বলেন, ৫৩ বছরেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমরা চাই মহাবিদ্যালয় জাতীয়করণ হোক এবং তার নামে একটি মিউজিয়াম নির্মাণ করা হউক।
সুর সম্রাট আলাউদ্দিন খা কলেজের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেন- ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ শুধু ভারতবর্ষ নয়, বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে এক অনন্য নাম। তাঁর জন্মভূমি নবীনগর হওয়ায় আমাদের জন্য গৌরবের বিষয়। তাঁর স্মৃতিকে ধরে রাখতে এবং তার বাড়ি /জমি রক্ষায় স্থানীয় পর্যায়ে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। জেলা প্রশাসকের নামে দলিল করে দেয়া ভূমিতে আলাউদ্দিন খাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে অডিটোরিয়াম ও মিউজিয়াম নির্মাণের জোড় দাবি জানানো হয়।
অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. রেজাউল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খালেদ বিন মনসুর। বিশেষ অতিথি ছিলেন- নবীনগর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা আবু কামাল খন্দকার, বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক আমির হোসেন, শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তি। এবং সহকারী অধ্যাপক আব্দুল নুর, মো. দেলোয়ার হোসেন, জাফর উল্লাহ, মো. ইকবাল হোসেন, প্রভাষক বাকির আহমেদ হামিম ও মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়াসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অত্র অনুষ্ঠানের শুরুতে সুর সম্রাটের স্মৃতি ফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২১:১৩:২০   ২৬৯ বার পঠিত  |