ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
প্রচ্ছদ » ঢাকা » অভিযানের পরও থামছে না দোহারে নিষিদ্ধ জালের কারখানা

অভিযানের পরও থামছে না দোহারে নিষিদ্ধ জালের কারখানা


মাহবুবুর রহমান টিপু, ( দোহার )
প্রকাশ: সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫


অভিযানের পরও থামছে না দোহারে নিষিদ্ধ জালের কারখানা

ঢাকা: দোহার উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প পরিচালক মোল্লা এমদাদুল্লাহ ও উপজেলা মৎস্য প্রশাসনের অভিযানে প্রায় ১০৫০ পিছ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল নামে পরিচিত জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ১০৫০ পিছ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল যাহার আনুমানিক বাজার মুল্য পঞ্চাশ লাখ টাকা।
জব্দকৃত নিষিদ্ধ জাল ভ্রাম্যমান আদালতের নির্দেশে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় বলে জানান উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিরিন সুলতানা মুন্নি।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প পরিচালক মোল্লা এমদাদুল্লাহ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দোহারে দায়িত্বে থাকা লেফটেন্যান্ট তানজিমুল ইসলামের একটি বিশেষ দল, দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসফিক সিবগাত উল্লাহ , উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিরিন সুলতানা মুন্নি ও দোহার থানা পুলিশ।
সোমবার দুপুর ২টায় উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের পদ্মা নদীর পাড় সংলগ্ন এলাকায় তিনটি নিষিদ্ধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে ১০৫০ পিছ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। যাহার আনুমানিক বাজার মুল্য পঞ্চাশ লাখ টাকা। পরে জব্দকৃত জালগুলো ট্রাকে ভরে উপজেলার পদ্মা নদীর মৈনট ঘাটে নিয়ে বিকেলে পুঁড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
এ বিষয়ে দোহার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিরিন সুলতানা মুন্নি বলেন, গত ২৫ আগষ্ট দোহার উপজেলার মেঘুলা বাজারে নিষিদ্ধ ছয়টি জাল তৈরীর কারখানার এগারটি গোডাউনে অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ১১ কোটি ৬৬ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৪ কোটি আট লাখ টাকা। ২৭ আগষ্ট বিলাশপুরে অভিযান চালিয়ে পঞ্চাশ লক্ষ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ১৫৬০টি চায়না ধোয়াইর জাল, ৯ সেপ্টেম্বর একই স্থানে অভিযান চালিয়ে ১১১০ টি চায়না ধোয়াইর জাল ও ১৫ সেপ্টেম্বর ১০৫০ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।

পরে জব্দকৃত সকল জালই মৈনটঘাটের পদ্মা পাড়ে পুঁিড়য়ে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া জালে ব্যবহৃত লোহার রড ৯৮ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। সেই অর্থ বিভিন্ন এতিমখানায় প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত ২০দিনে মোট ৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

অনুসন্ধানী সুত্রে জানা যায়, দোহারে নিষিদ্ধ ৩০/৩৫টি কারখানার মধ্যে অভিযানে ৭০% কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২১:৩৮:২১   ৪৩১ বার পঠিত  |