![]()
নোয়াখালী: হাতিয়ায় প্রেমের সম্পর্ক সাজিয়ে সালিশে জোরপূর্বক স্ট্যাম্প নিয়ে টাকা আদায়ের অপচেষ্টার অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী পরিবার। এঘটনাটি ঘটে উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের পূর্ববিরবিরি গ্রামে।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ঘটনার প্রতিবাদে উপজেলা সদরে মুক্তিযোদ্ধা ভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মোঃ সাহেদ উদ্দিন, মো. নিজাম উদ্দিন, মোঃ জাহেদুল ইসলাম, মোঃ পারভেজ, হকসাব, কামরুল, দিদার উদ্দিন সহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. সাহেদ উদ্দিন। তিনি বলেন, এলাকায় আমার ছোট ভাই পল্লী চিকিৎসক মো. নাহিদ উদ্দিনকে জড়িয়ে মিথ্যা একটি প্রেমের ঘটনা সাজায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রভাবশালী মো: সোহেল, প্রজেক্ট ফারুক, বড় আমির, সুমন, কাদের আশ্রাফ, নিশান, রুবেল, রবিন, মাইনুউদ্দিন, জামসেদ, বাবলু সহ কয়েকজন ব্যক্তি শালিশের নামে পরিকল্পিতভাবে আমাদের পরিবারকে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে আমার পরিবাররের লোকজনদেরকে অমানবিকভাবে মারধর ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে নেয়।
তারা এটাকে পুঁজি করে আমাদের থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। যা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং অমানবিক। স্বাক্ষর নেওয়ার পর কথিত তরুনীকে জোরপূর্বক আমাদের বাড়ীতে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। আমরা টাকা দিতে অপারগ হওয়ায় তারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচার করে আমদের পরিবারের মানসম্মান ক্ষুন্ন করে।
আমরা স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি, এ ঘটনায় আমার ভাই পল্লী চিকিৎসক নাহিদ কোনোভাবেই জড়িত নন। বাস্তবে ওই তরুণীর সঙ্গে আমার ভাইয়ের কোনো ধরণের সম্পর্ক নেই। কিছু লোক পারিবারিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে আমাদের মানসম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে।
তিনি আরো বলেন, এটি কোনো সামাজিক সালিশ নয়, বরং পূর্বপরিকল্পিতভাবে করা একটি নির্যাতনের ঘটনা। ক্ষমতা ও প্রভাব খাটিয়ে বানোয়াট প্রেমের নাটক সাজিয়ে আমাদের পরিবারকে জিম্মি করে। বিষয়টি এলাকার পরিচিত হাসান মাঝি সমাধান করবে বলে পরে করেন নাই। পরে আমরা আইনি প্রতিকার চেয়ে এডভোকেট সাদ্দাম সাহেবের দারস্থ হই। সেখানে উভয় পক্ষের সম্মতিতে সমঝোতার জন্য একটি তারিখ দেওয়া হয়। সেই তারিখে আমরা উপস্থিত থাকলেও তারা সেখানে উপস্থিত হয়নি।
তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ দাবি জানান।
স্থানীয় প্রভাবশালী মো: সোহেল টাকাদাবীর অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, নারীঘঠিত কারনে উভয় পক্ষকে ডেকে শালিশের সিদ্ধান্ত হয়েছে। টাকা দাবীর বিষয় সঠিক নয়।
আর/ এন
বাংলাদেশ সময়: ১৮:৫৬:৩০ ৩৪১ বার পঠিত | ● শালিশ ● স্ট্যাম্প ● স্বাক্ষর ● হাতিয়ায