ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
প্রচ্ছদ » বরিশাল » কলাপাড়ায় সম্পদ হাতিয়ে নিতে ব্লাকমেইল, বিভ্রান্তিতে বিএনপি নেতা

কলাপাড়ায় সম্পদ হাতিয়ে নিতে ব্লাকমেইল, বিভ্রান্তিতে বিএনপি নেতা


সৈয়দ রাসেল,কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
প্রকাশ: শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫


কলাপাড়ায় সম্পদ হাতিয়ে নিতে ব্লাকমেইল, বিভ্রান্তিতে বিএনপি নেতা

পটুয়াখালী: কলাপাড়ায় নারীকে দিয়ে ব্লাকমেইল করে নির্মিত ঘর, পুনর্বাসন ঘর, জমি ও ঘরের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অপচেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন লালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক মজিবর রহমান প্যাদা।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) এগারোটায় কলাপাড়া টেলিভিশন জার্নালিষ্ট ফোরামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মজিবর রহমান প্যাদার নিকট আত্মীয় হাবলু মৃধা, হিরন মৃধা, জনি জামাল ও সোহেল হাওলাদার সহ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মীরা।

লিখিত বক্তব্যে মজিবর বলেন, গত ১৪ অক্টোবর মরিয়ম বেগম নামের এক নারী আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন, রাজৈনতিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য এক সংবাদ সম্মেলন করেন এবং বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য উল্লেখ করেন। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, ওই নারীর সঙ্গে তার কোন বিয়ে হয়নি। এর কোন প্রমাণ সে দিতে পারবে না। মূলত মরিয়মের পিতা মোসলেম আলী দফাদারের কাছ থেকে ২০২১ সালে রেফ কাগজের মাধ্যমে ১২ শতাংশ জমি ৬ লক্ষ টাকায় ক্রয় করে।

ওই ক্রয়কৃত জমিতে বসত ঘর সহ স্থাপনা এবং গাছ রোপন করা হয়। পরে ওই জমি সরকার অধিগ্রহণ করার কারণে মোসলেম তাকে দলিল রেজিস্ট্রি করে দেয়নি। ওই জমির ক্ষতিপুরনের টাকা মোসলেম তার ছেলে রহমান এবং মেয়ে মরিয়ম বেগম নামের একাউন্ট থেকে তুলে তাকে ৪৭ লক্ষ টাকা দেয়।

তবে মজিবরের ওই জমিতে নির্মাণকৃত ঘরের পরিবর্তে ধূলাসার ইউনিয়নের আবাসন প্রকল্পের ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের দুটি পুনর্বাসন ঘর সরকার কর্তৃক প্রদান করেন। কিন্তু মোসলেম ওই ঘর দুটি তার ছেলে রহমান ও মেয়ে মরিয়মের নামে অন্তর্ভুক্ত করে। সে মোসলেমের কাছে ওই পুনর্বাসন ঘর, নির্মাণকৃত ঘর ও জমি বাবদ টাকা চাইলে, না দেয়ার তালবাহানায় মিথ্যে বিয়ের নাটক সাজায়। তবে টাকা বুঝিয়া পেতে সে এবছরের ১৬ এপ্রিল কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

তিনি দাবি করেন মুলত একটি কুচক্রি মহলের যোগসাজসে এই টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন অভিযোগ আনয়ন করে। তাই তিনি ন্যায় বিচারসহ পুনর্বাসন ঘরের ৬০ লক্ষ, জমির ৫ লক্ষ ও জমিতে নির্মানকৃত ঘর বাবদ ১০ লক্ষ টাকা ফেরত চেয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে মোসলেম আলী দফাদারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও। ফোনটি রিসিভ করেনি।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২১:১৪:১৬   ৩৬৩ বার পঠিত  |