ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
প্রচ্ছদ » বরিশাল » দখল দূষণ পলির আস্তরণে সংকটে বানাতিবাজার ঢোস শাখা নদী

দখল দূষণ পলির আস্তরণে সংকটে বানাতিবাজার ঢোস শাখা নদী


আঃ মজিদ খান, (পটুয়াখালী )
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬


দখল দূষণ পলির আস্তরণে সংকটে বানাতিবাজার ঢোস শাখা নদী

পটুয়াখালী: কলাপাড়ায় বানাতিবাজার-ঢোস শাখা নদীটির দুই তীরে চলছে দখলদারিত্ব। লালুয়া ও বালিয়াতলী ইউনিয়নের মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া অন্তত ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ শাখা নদীটি এমনিতেই পলির আস্তরণে দুই পাড় ভরাট হয়ে গেছে। বহু মানুষ দুই পাড়ের বনাঞ্চল কেটে চাষের জমি তৈরি করেছে। এখন নদীর মধ্যে স্থাপনা তোলা হচ্ছে।
মুক্তিযোদ্ধা বাজার সংলগ্নের উল্টোদিকে বালিয়াতলী অংশে নদীর পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে স্থাপনা তোলা হয়েছে। আশপাশে একাধিক স্থাপনা তোলা হয়েছে। করা হয়েছে দোকানপাট। ফলে এই নদীটি এখন মরে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আন্ধারমানিক নদী থেকে শুরু হয়ে এই নদীটি ঢোস হয়ে দুই দিকে রাবনাবাদ নদীতে মিলেছে। অপর একটি দিক বানাতিবাজারের উত্তরপাশ হয়ে পশুরবুনিয়া থেকে রাবনাবাদে মিশেছে। কিন্তু পায়রা বন্দরের ফার্স্ট টার্মিনাল নির্মাণে একটি পাশ বন্ধের শঙ্কায় রয়েছে। বানাতি থেকে ঢোস পর্যন্ত অংশটি এখনো সচল রয়েছে। নদীটি দিয়ে মালবাহী কার্গো চলাচল করে। সাগর ও রাবনাবাদ চ্যানেলে মাছ ধরার ট্রলার চলাচল করছে। দূর্যোগকালে এখানে দ্রæত আশ্রয় নিতে পারে অসংখ্য ট্রলার। প্রাকৃতিকভাবে নদীটি পলির আস্তরণে ভরাট হয়ে এখন এক তৃতীয়াংশ রয়েছে।
স্থানীয় জেলে আঃ হাকিম জানান, এটি অন্তত ২০০-২৫০ ফুট চওড়া ছিল। এখন তিনভাগের একভাগ আছে। ভাটার সময় সব জায়গায় ট্রলার চলে না। লালুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস জানান, প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই শাখা নদীটি রক্ষায় এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে পুনর্খনন করা দরকার। তিনি জানান, এই নদীতে এক সময় জেলেরা প্রচুর ইলিশ মাছ ধরত। তীব্র খর¯্রােতা এই শাখা নদীটি এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে।
পরিবেশ কর্মী মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, পায়রা বন্দর নির্মাণে এই শাখা নদীটির একটা দিক মরে গেছে। এখন পানির প্রবাহ ঠিক রাখতে দখল-দূষণ রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউছার হামিদ জানান, নদী খাল দখল-দূষণ রোধে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে তারা সচেষ্ট রয়েছেন। অবৈধ স্থাপনা থাকলে অপসারণ করে নদীর পানির প্রবাহ সচল করা হবে।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২০:৩৩:৪৪   ৬০ বার পঠিত  |