![]()
ঢাকা: দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ডাকবাংলো এলাকায় মোটরসাইকেল পার্কিং এর নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।ঈদকে সামনে রেখে প্রতি বছর পার্কিং এর নামে এমন চাঁদাবাজি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ মোটরসাইকেল চালক ও স্থানীয় দর্শনার্থীদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দর্শনার্থী বলেন, এটি সরকারি জায়গা এখানে ঘুরতে আসেন দোহার,নবাবগঞ্জ ও শ্রীনগর এলাকার হাজারো মানুষ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যক্তি জানিয়েছেন, সাইনপুকুর পুলিশ ফাড়ী প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ভাসমান মেলা বসিয়েছে। সেখানে ভ্রাম্যমান চটপটি, ফুচকা,পিঠা ঘর, চা-পানের দোকান রয়েছে অন্তত পঞ্চাশটি।সেখান থেকে প্রতি দোকান প্রতি ৫০/১০০ টাকা চাদাঁ আদায় করছে। এখন আবার ঈদ উপলক্ষে মোটরসাইকেল পার্কিং ফি নিচ্ছে ৫০টাকা। ঈদের দিন থেকে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ শতাধিক মোটরযান পাকিং করা হচ্ছে। সবাই নদীপাড়ের আবওয়া উপভোগ করতে সপরিবারে ঘুরতে আসে।
রমিজ উদ্দিন নামে এক দর্শনার্থী ও শিক্ষার্থী বলেন, এখানে পার্কিং এর বাইরে গাড়ি রাখলেও টাকা দিতে হয়।এতো রীতিমতো চাঁদাবাজি। আমরা এবিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ও ফুলতলা পুলিশ ফাঁড়িকে ম্যানেজ করে পার্কিং জোন বসানো হয়েছে। তবে পার্কিং এর দায়িত্বে থাকা কয়েকজন যুবকের বক্তব্য নিতে চাইলে বলেন, এখানে আমাদের খরচ বাবদ ঈদ উপলক্ষে এই টাকা নেয়া হচ্ছে।
ফুলতলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্য নিতে রাত ৮টা ১১ মিনিটে একাধিক ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এব্যাপারে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মাঈদুল ইসলাম বলেন, সরকারি জয়গায় অনুমতি ছাড়া পার্কিং এর নামে টাকা নেয়া আইন বহির্ভূত। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৯:৫০:১৫ ১৯২ বার পঠিত | ● চাঁদাবাজি ● দোহার ● পার্কিংয়ের