ঢাকা: দোহার উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় এক যুবকের বাম হাতের বাহুর অংশ ঝুলে পড়েছে। গুরুত্বর আহত যুবকের পরিচয় উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের রুইথা সাতভিটা গ্রামের মিজানুর রহমান(৩৫)। এ ঘটনায় রাতেই দোহার থানায় পাচঁ জনকে এজাহারনামীয় আসামী ও চারজনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় দোহার থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ঘটনা সাথে জড়িত দুইজনকে আটক করেছে। আটককৃত আসামীরা হলেন- একই গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে মিরাজ(২৮) ও মামুন(৩১)।
আসামীদের মঙ্গলবার সকালে ঢাকার বিজ্ঞ জুডিশিয়াল দোহার আমলি আদালতে ৫দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় ও আহতের পরিবার সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল একই এলাকার শাখাওয়াত গংদের সাথে মিজানুর রহমানদের সাথে। জমির মালিকানা নিয়ে বিজ্ঞ দোহার সিনিয়র সহকারি জর্জ আদালতে আমলি আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার রাতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আজগর আলী ছেলে শাখাওয়াত, ও তার তিন ছেলে মামুন ও মিরাজ, সিরাজ, একই গ্রামের আজর আলীর ছেলে হাবিবুর ফকির ও অজ্ঞাতনামা ৩/৪ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মিজানুরের ঘরে হামলা চালায়। এ সময়ে মিজানুরের ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে এলোপাথারী কুপিয়ে বাম হাতের বাহু বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।
একপর্যায়ে গুরুত্বর আহতের পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিজানুরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে বলে জানান, পুলিশ ও স্থানীয়রা।পরবর্তীতে দোহার থানায় ৫জনকে এজাহারনামীয় আসামী ও ৩/৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়ের হলেই সোমবার দিবাগত গভীর রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এজাহারনামীয় ২ ও ৩ নং আসামীকে শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়া এলাকা থেকে আটক করা হয়।
দোহার থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে এবং মামলার ২ ও ৩ নং এজাহারনামীয় আসামীদের গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনার তথ্য ও অপরাপর আসামীদের গ্রেফতারের স্বার্থে আদালতে প্রেরনকৃত ২ আসামীর ৫দিনের রিমান্ড চাইলে ৩দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪৭:৪৬ ২২২ বার পঠিত | ● দোহার ● বিচ্ছিন্ন ● হাত