ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রচ্ছদ » শিরোনাম » নবীগঞ্জে আনসার ভিডিপি অফিস দুর্নীতির আখড়া

নবীগঞ্জে আনসার ভিডিপি অফিস দুর্নীতির আখড়া


এম,এ আহমদ আজাদ, নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ)
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


 নবীগঞ্জে আনসার ভিডিপি অফিস দুর্নীতির আখড়া

হবিগঞ্জ: নবীগঞ্জ উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসটি দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এরমধ্যে উক্ত অফিসের প্রশিক্ষক রাজন আহমদ, আনসার সদস্য মন্নান মিয়ার খুটিঁর জোর নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গেল জাতীয় নির্বাচনে আনসার সদস্যদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন মন্নান মিয়া, রাজন আহমদগংরা। যার সাথে তৎকালীন কর্মকর্তা কামরুল হাসানও জড়িত।
বিভিন্ন সুত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানাযায়, উপজেলায় প্রায় ৫৫ জন কমান্ডার রয়েছেন সরকারী ভাতাভুক্ত। সদস্য রয়েছে কয়েক হাজার। কিন্তু জাতীয়-স্থানীয় নির্বাচন, বিভিন্ন পুজা মন্ডপে ডিউটিতে লোক নিয়োগের সময় চলে টাকার বানিজ্য। বর্তমানে উক্ত আনসার ভিডিপি অফিসে সাধারণ সদস্য মন্নান মিয়াগংদের দাপুটে কমান্ডারগণ টটস্থ। টাকা ছাড়া কোন সদস্যদের ডিউটিতে নেয়া হয় না। এছাড়া মন্নান ও রাজন মিলে জাল সার্টিফিকেট তৈরী করে তাদের পছন্দের লোকদের ডিউটি দেয়া হয়।

এতে প্রকৃত আনসার সদস্যরাও টাকা না দেয়ায় ডিউটি থেকে বঞ্চিত হয়। খোজঁ নিয়ে জানাগেছে, বিগত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপজেলার ১১৬টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৫ শত ৮ জন আনসার সদস্য ডিউটি করেন। এরমধ্যে শুধুমাত্র মন্নানগংরা সিন্ডিকেট করে তৎকালীন ভিডিপি অফিসের কর্মকর্তা কামরুল হাসান, প্রশিক্ষক রাজন আহমদকে ম্যানেজ করে প্রায় ৭/৮ শত সদস্যদের কাছ থেকে ১/২ হাজার টাকা করে নিয়ে ডিউটি দেন। ফলে ডিউটির নামে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে ৮/১০ লাখ টাকা। যার ভাগ নেন আনসার কর্মকর্তা কামরুল হাসান, প্রশিক্ষক রাজন আহমদগংরা। এক কথায় টাকা দিলে ডিউটি আাছে, না দিলে ডিউটি নাই। এই নীতি নিয়ে চলছে আনসার ভিডিপি অফিস। দীর্ঘদিন ধরে নবীগঞ্জ আনসার ভিডিপি অফিসের দুর্ণীতি, অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসের প্রশিক্ষক রাজন আহমদ আনসার সদস্য মন্নানগংদেরকে দিয়ে এ ধরনের কাজ করিয়ে থাকেন। এছাড়া নির্বাচন ছাড়াও দুর্গা পুজাসহ বিভিন্ন পুজা বা উৎসবে আনসার সদস্যদের ডিউটি করতে হলেই মন্নানগংদের ও রাজন আহমদকে দিতে হয় টাকা।

এ ব্যাপারে জাতীয় নির্বাচনে ডিউটি করা আনসার সদস্যা ফরিদা বেগম (রের্কড আছে) জানান, সে ২২ জন সদস্য ডিউটিতে দিতে গিয়ে জনৈক আনসার সদস্যের নিকট জনপ্রতি ১ হাজার করে ২২ হাজার টাকা প্রদান করেন। আনসার সদস্য সবুর মিয়া বলেন, উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিস এখন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। টাকা ছাড়া কোন ডিউটি দেয়া হয়না। শুধু টাকারই খেলা।

এ ব্যাপারে প্রশিক্ষক রাজন আহমদ তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কোন সদস্য এ ধরনের কাজ করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪৫:২৯   ৭৭ বার পঠিত  |