ঢাকা    রবিবার, ৩১ মে ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
প্রচ্ছদ » বরিশাল » চরফ্যাসনে নারীকে ধর্ষণ করতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ হারালো বিদ্যুৎ কর্মী

চরফ্যাসনে নারীকে ধর্ষণ করতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ হারালো বিদ্যুৎ কর্মী


নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রবিবার, ৩১ মে ২০২৬


চরফ্যাসনে নারীকে ধর্ষণ করতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ হারালো বিদ্যুৎ কর্মী
ভোলা: চরফ্যাসনে গৃহবধুকে ধর্ষন করতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ হারালো ইমাম হোসেন নামের এক যুবক। শুক্রবার রাতে নজরুল নগর ইউনিয়নের নলুয়া স্লুইজ এলাকায় ওই গৃহবধু বাড়িতে এঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত যুবক ইমাম হোসেন ওই গ্রামের মজি সরদারের ছেলে ও সে পল্লি বিদ্যুতের একজন অস্থায়ী কর্মী বলে জানা গেছে। ঘটনার পর ওই গৃহবধু বাদী হয়ে ধর্ষনের অভিযোগে মামলা দায়ের পর দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশ ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে চরফ্যাসন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রেখেছেন বলে পুলিশ সুত্রে জানাগেছে।
মামলার এজাহারে গৃহবধু দাবী করেন, ওই যুবক ইমাম হোসেন ও তিনি প্রতিবেশী । বিদ্যুতের সমস্যা নিয়ে তাকে মাঝে মধ্যে ফোন দিতেন তিনি। যুবক ইমাম হোসেন ফোন নম্বর সংগ্রহে রেখে প্রায় সময় তাকে ফোন দিয়ে বিরক্ত করতেন এবং মুঠোফোনে কু- প্রস্তাব দিতেন। ঘটনার দিনে রাতেও তিনি তাকে একাধিক বার ফোন দেন এবং কু-প্রস্তাব দেন। তার এসব আচরন থেকে বাঁচতে ওইদিন রাতে মুঠোফোনে ফোন করে তাকে তার বাড়িতে ডেকে নেন। বাড়ির রান্না ঘরে নিয়ে যান। পূর্ব থেকেই তার হতে একটি ব্লেড লুকানো ছিলো। অভিযুক্ত ইমাম তাকে কাছে পেয়ে ঝাপটে ধরে ধর্ষণ শুরু করেন। এর মধ্যে তিনি হাতে থাকা ব্লেড দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে দিলে তিনি তাকে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যান। পরে তিনি ঘটনাটি তার স্বামীসহ স্থানীয়দের জানিয়ে দক্ষিন আইচা থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
অপর দিকে পুলিশ হেফাজতে চরফ্যাসন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা ইমাম হোসেন জানান, তিনি পল্লি বিদ্যুতের একজন অস্থয়ী কর্মী। গভীর রাত পর্যন্ত তার বিদ্যুতের সমস্যা নিয়ে মাঠে কাজ করতে হয়। ঘটনার দিন তিনি কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরে যান। বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণ পরই বিদ্যুতে লাইলে গাছের ডাল পড়ে আছে বলে প্রতিবেশী সাদ্দার ও রেজাউল প্যাদা তাকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নেন। তাদের সাথে তার পূর্ব বিরোধ চলমান রয়েছে। তিনি তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে ঘর থেকে বেড়িয়ে যান। কিছুক্ষণ পরে ওই নারী বাড়িতে বিদ্যুৎ সমস্যা বলে আমাকে তার বাড়ি নিয়ে জোর পূর্বক আমাকে ধরে ওই নারীসহ আমার পুরুষাঙ্গে ব্লেড দিকে কেটে দিয়ে সাদ্দাম মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারন করে আমাকে রেখে তারা দুজন পালিয়ে যান। পওে আমি দৌড়ে দিয়ে স্থানীয় নলুয়া স্লুইজ বাজারে গিয়ে অচেতন হয়ে পরলে ভোর রাতে আমার পরিবারের সদস্যরা খবর পরে আমাকে উদ্ধার করে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেন। সাদ্দাম ও রেজাউল প্যাদা পূর্ব শক্রতা উদ্ধার করতে ওই নারীকে ভাড়া করে আমাকে ফাসিয়েছে।
সাদ্দাম ও রেজাউল প্যাদা জানান, আমারা ওই রাতে তাকে ডাকিনি। এবং তার সাথে আমাদের কোন কথা হয়নি। অহেতুক আমাদেরকে এঘটনায় জড়ানো হচ্ছে।
দক্ষিণ আইচা থানার থানার ওসি আহসান কবির জানান, এঘটনায় ভিক্টিম নারী দাবী হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। প্রতিপক্ষরা চাইলে মামলা করতে পারবেন কিন্ত তাদেও কোন অভিযোগ পাইনি।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ০:৩২:৩২   ১১ বার পঠিত  |            

----