![]()
ঝালকাঠি: কাঁঠালিয়ায় ২০০৮ সালের ট্রিপল মার্ডার মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী ইদ্রিস সিকদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে র্যাব-৩ একটি দল ঢাকার সবুজবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। আজ শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে কাঁঠালিয়া থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করে।
গ্রেফতারকৃত ইদ্রিস সিকদার (৪৩) উপজেলার চেঁচরী রামপুর ইউনিয়নের মহিষকান্দি গ্রামের মৃত্যু ইয়াছিন সিকদারের ছোট ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ওসি আবু নাছের রায়হান।
থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার মহিষকান্দি গ্রামের ফারুক জমাদ্দারের সাথে জমি নিয়ে দ্ধন্ধ হয় একই এলাকার ইয়াছিন সিকদারের ছেলে কুদ্দুস সিকদার ও ইদ্রিস সিকদারের। প্রতিপক্ষ ফারুক জমাদ্দারকে ফাঁসানোর জন্য ২০০৮ সালের ২৭ জুন গভীর রাতে কুদ্দুস সিকদারের আপন বড় ভাই বাক প্রতিবন্ধি মানিক সিকদারকে ঘুমন্ত অবস্থায় কুপিয়ে জখম করে ইদ্রিস ও কুদ্দুস। এসময় ইদ্রিসের স্ত্রী ৭ মাসের অন্তঃস্বত্তা শেফালী বেগম টের পেয়ে ভাসুরকে বাঁচাতে এলে তাকে জবাই করে হত্যা করে। রাতেই মানিক সিকদারও মারা যায়।
মুল ঘটনা আড়াল করে প্রতিপক্ষ ফারুক জমাদ্দারকে ফাঁসানোর জন্য কুদ্দুস সিকদার বাদী হয়ে ফারুক জমাদ্দার ও তার ভাই কবির জমাদ্দারসহ ৬জনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ মামলা তদন্ত করে জানতে পারেন হত্যাকারি মামলার বাদী কুদ্দুস সিকদার ও তার ভাই কবির।
পরে থানার এসআই মো.আঃ রব বাদী হয়ে কুদ্দুস সিকদার ও ইদ্রিস সিকদারকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন এবং ফারুক জমাদ্দার ও ইদ্রিস জমাদ্দারসহ মামলার আসামীদের অব্যহতি দেন। আসামী কুদ্দুস সিকদার ও ইদ্রিস থানায় ও কোর্টে হত্যার দায় স্বীকার করে। দেড় যুগ পর এ বছরের মে মাসের শেষের দিকে মামলায় আসামীদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। মামলার প্রধান আসামী কুদ্দুস সিকদার জেল হাজতে আছেন। ইদ্রিস সিকদার এতোদিন পলাতক ছিল।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৮:৫৩:৫৭ ১০ বার পঠিত | ● কাঁঠালিয়া ● ট্রিপল মার্ডার ● মামলা
----