![]()
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টা করে লোডশেডিংয়ের সূচি দিয়েছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি)। এর মধ্যে দিনের বেলায় তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। গ্যাসের চাপ কম থাকায় এ সময় বুয়েটের নিজস্ব জেনারেটর চালিয়েও পুরো ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে না।
আজ রোববার বুয়েটের এক দাপ্তরিক চিঠিতে লোডশেডিংয়ের এ সূচি জানানো হয়। সূচি অনুযায়ী, সকাল ৬টা থেকে ৭টা, সকাল ১০টা থেকে ১১টা, দুপুর ২টা থেকে ৩টা, রাত ১২টা থেকে ১টা এবং রাত ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকবে না।
চিঠিতে বলা হয়, দিনের বেলায় গ্যাসের চাপ অত্যন্ত কম থাকায় লোডশেডিংয়ের সময় বুয়েটের নিজস্ব জেনারেটরের মাধ্যমে পুরো ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে নির্ধারিত সময়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থাপনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এদিকে এলএনজি সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও বিদ্যুতের ঘাটতি কমার তেমন লক্ষণ নেই। বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর পরও চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান বড় থাকায় ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পালা করে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
আজ সন্ধ্যা ৭টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল প্রায় ১৭ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। এ সময় বিদ্যুতের ঘাটতি দেখানো হয় ১ হাজার ৬৬৪ মেগাওয়াট।
বিদ্যুৎ ঘাটতির পেছনে ভারত থেকে আদানি পাওয়ারের সরবরাহ কমে যাওয়াও প্রভাব ফেলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহ প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ মেগাওয়াট কমেছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ঘাটতি বেড়েছে। এলএনজি সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও কমে যাওয়া এ বিদ্যুৎ পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব হয়নি।
এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকদের ওপর। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় কয়েক ঘণ্টা পরপর পালা করে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:১৬:৩২ ৮ বার পঠিত | ● বুয়েটে ● লোডশেডিং ● সূচি প্রকাশ