![]()
ভোলা: ভোলার চরফ্যাসনের জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বায়তুল আহাদ জামে মসজিদের মুসল্লি কামরুল ইসলাম মসজিদে নামাজ আদায় করতে না আসার হুমকি এবং মসজিদ থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মসজিদের সভাপতি সেলিম ফরাজীসহ নুরুল হক দরবেশ ও ইউসুফ ফরাজির বিরুদ্ধে। এ নিয়ে একটি অডিওবার্তা সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার মুসলিম জনতা নিন্দা ও ধিক্কার জানান।
গোপনে ধারণ করা একটি অডিও রেকর্ডে শোনা যায়, মসজিদের সভাপতি সেলিম ফরাজীসহ দায়েমি মুসল্লি সাইফুল ইসলাম কামরুলকে মসজিদের ভেতরে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করছেন। পরে ওই মুসল্লিকে মসজিদ থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়ে হত্যার হুমকি দেন এবং তাকে বাজারে যাওয়া বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
ভুক্তভোগী কামরুল ইসলাম সাইফুল জানান, তার দুই ভাইয়ের জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই দিন আগে মসজিদের সভাপতিসহ কয়েকজন ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেন। তাদের অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরে তাদের পক্ষে একটি ভিডিও নিউজ প্রকাশ করা হয়। ওই নিউজকে কেন্দ্র করেই মসজিদের সভাপতি তার বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বর্তমানে অব্যাহত হুমকি-ধমকিতে তিনি ন্যায়বিচার নিয়ে অজানা আশঙ্কায় রয়েছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করে জানান, জমি বিরোধকে পুঁজি করে মসজিদের সভাপতি তাকে নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। পাশাপাশি তার প্রতিনিয়ত হত্যার হুমকিতে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
মসজিদের সভাপতি সেলিম ফরাজী জানান, তার সঙ্গে কামরুলের কোনো বিরোধ নেই। তার ভাই নাসিরের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। ওই বিরোধ মসজিদ কমিটির সদস্যরা সমঝোতার মাধ্যমে মীমাংসা করতে চাইলে তিনি রাজি হননি। তাই সব মুসল্লি তাকে মসজিদ থেকে বিতাড়িত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি একা নই।’
এন/ এন
বাংলাদেশ সময়: ১৭:৩২:৪৮ ১১ বার পঠিত | ● চরফ্যাসন ● নামাজ ● বাধা ● মসজিদ