![]()
খুলনা: স্থানীয়রা জানান, মুহূর্তের মধ্যেই প্রায় ৫০ মিটার ওয়াপদার বেড়িবাঁধ ঢাকী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙনে সেখানে বসবাসকারী ১৩টি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো যদুবর সরদার, নিরঞ্জন সরদার, কৃষ্ণপদ সরদার, প্রশান্ত সরদার, অজিত সরদার, লকেশ সরদার, গোপাল সরদার, গোবিন্দ সরদার, শেখর সরদার, পরিতোষ সরদার, সূর্যকান্ত সরদার, নীলু সরদার ও প্রদীপ সরদারের পরিবার। ঘরবাড়ি হারিয়ে পরিবারগুলো অনেকটা খোলা আকাশের নিচে রয়েছে। ঘরের মালামাল সরিয়ে তারা পাশের বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ৩১ নম্বর পোল্ডারের আওতাধীন তিলডাঙ্গা ও পানখালী ইউনিয়ন এবং চালনা পৌর এলাকার হাজার হাজার বিঘা জমির আমন ফসল পানিতে তলিয়ে যাবে। ভেসে যাবে শত শত মাছের ঘের ও পুকুর। এ ছাড়া কৃষিজমি ও সবজির আবাদও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী দীপংকর বিশ্বাস বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাঁর চোখের সামনেই কয়েক মিনিটের মধ্যে বাঁধে ধস নামে এবং তা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। খবর পেয়ে পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (খুলনা) মধুসূদন পাল, উপসহকারী প্রকৌশলী তৌফিকুজ্জামান ও নয়ন আলী ঘটনাস্থলে আসেন। তাঁরা জিও ব্যাগ ফেলে লোকালয়ে পানি প্রবেশ ঠেকানোর উদ্যোগ নেন। এতে তাৎক্ষণিকভাবে বৃহৎ এলাকা প্লাবিত হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে।
দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বোরহান উদ্দীন মিঠু জানান, প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে শুকনো খাবার দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে তাদের পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুর রহমান জানান, সেখানে কর্মরত ঠিকাদারকে যেকোনো মূল্যে এলাকা প্লাবিত হওয়া থেকে রক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিকল্প বাঁধ নির্মাণ করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪০:৫১ ১০ বার পঠিত | ● খুলনা বটবুনিয়া ● ঢাকী নদী ● দাকোপ বেড়িবাঁধ ভাঙন ● ৩১ নম্বর পোল্ডার