![]()
পটুয়াখালী: কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের আয়োজনে এবং পর্যটন উদ্যোক্তাদের অর্থায়নে আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর দুই দিনব্যাপী ‘বীচ কার্নিভাল’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এ আয়োজনকে ঘিরে বিভিন্ন হোটেল-মোটেলের কক্ষ অন্তত দুই সপ্তাহ আগেই বুকিং হয়ে গেছে। কার্নিভাল উপলক্ষে সাজসজ্জার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন দোকানপাটের ব্যবসায়ীরা। এর আগেও কুয়াকাটায় বীচ কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এ বছর ভিন্ন আঙ্গিকে ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে উৎসবটি আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতিমান শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করবেন।
এ ছাড়া কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শিশুদের ঘুড়ি উৎসব, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ছয় কিলোমিটার কুয়াকাটা বীচ রান, সেলিব্রিটি বীচ ক্রিকেট, মিউজিক কনসার্ট, বাউল গানসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পিঠা উৎসব, লেম্বুর বনে সূর্যাস্ত উপভোগ এবং চর বিজয় ভ্রমণসহ নানা আয়োজন।
কার্নিভাল শব্দের অর্থ আনন্দ-উৎসব ও বিনোদন। ১৮ শতকে পর্তুগিজরা যখন গোয়া শাসন করত, তখন তারা রোমান ক্যাথলিক ঐতিহ্য হিসেবে কার্নিভাল উৎসবের প্রচলন করে।
২০১০ সালের গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোর কার্নিভাল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় কার্নিভাল উৎসব। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলিন্সের মার্ডি গ্রাসও অত্যন্ত বিখ্যাত।
ইতালীয় শব্দ ‘কার্নেভালে’ বা ল্যাটিন ‘কার্নে লেভারে’ থেকে কার্নিভাল শব্দটির উৎপত্তি। এর অর্থ মাংস ত্যাগ করা। দীর্ঘ ৪০ দিন মাংস ও অন্যান্য ভারী খাবার বর্জনের আগে খ্রিষ্টানরা আনন্দভোজে অংশ নেন।
বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্নভাবে কার্নিভাল উদ্যাপন করা হয়। কোথাও গান-বাজনা ও নৃত্যের আয়োজন থাকে, কোথাও মানুষ অদ্ভুত বা রঙিন পোশাক ও মুখোশ পরে রাজপথে সমবেত হয়ে আনন্দে মেতে ওঠে। আবার অনেক দেশে বিভিন্ন রাইড, খেলা ও প্রদর্শনী নিয়ে ভ্রাম্যমাণ বিনোদন মেলা বা সার্কাসকেও কার্নিভাল বলা হয়।
তবে বীচ কার্নিভালের মূল উদ্দেশ্য পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানো এবং স্থানীয় সংস্কৃতিকে তুলে ধরা।
এন/ এস
বাংলাদেশ সময়: ১৮:৩৬:৩০ ১৮ বার পঠিত | ● কুয়াকাটা পর্যটন ● কুয়াকাটা বীচ কার্নিভাল ● পটুয়াখালী ● বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন