![]()
পটুয়াখালী: শীতের সন্ধ্যায় জমে উঠে শীতের পিঠার ভাসমান দোকান গুলো। পথের ধারে বিভিন্ন রঙ্গের পিঠার পসরা সাজিয়ে বসে দোকানিরা। টাটকা গরম পিঠার স্বাদ নিতে ভিড় জমায় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ। বেচাকেনায় জমে উঠে দোকানগুলোতে। এমন দৃশ্য চোখে পড়ে বাউফল পৌর এলাকা সহ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ছোট বড় হাট বাজারে।
কালাইয়া, নওমালা নগরেরহাটসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার পাশে অস্থায়ীভাবে দোকানিরা বিভিন্ন ধরনের পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে জেঁকে বসেছেন। তৈরি করছেন ভাঁপা, চিতই, কুশলি, ঝাল,ডিমেরপিঠা, সবজি মেশানো ঝাল পিঠা। এসব পিঠার সাথে রয়েছেন সরিষা, ধনেপাতা ও চিংড়ি শুঁটকির ভর্তা। গরম পিঠা খেতে ভিড় করছেন বিভিন্ন পেশার বয়সের মানুষ সমারোহে চলছে বেচাকেনা। নগরের হাটের গ্রামীন ব্যাংক সংলগ্ন ডিসি সড়কের পাশে পিঠার দোকান নিয়ে বসছেন স্থানীয় বাসিন্দা আমির হোসেন জোম্মাদ্দার (৬০)ও তার স্থী রুসিয়া বেগম (৫৫)। প্রতিবছর শীতে রাস্তার পাশে পিঠার দোকান নিয়ে বসেন ছয় সন্তানের জনক আমির হোসেন। প্রতিদিন তার ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা বিক্রি হয়, যা আয় তাদিয়ে ছেলে মেয়ে নিয়ে কোন রকম জীবন যাপন করেন।
পিঠা খেতে আসা নগরেরহাট এলাকার নাসির বনিক বলেন,শীতের সময গরম পিঠার স্বাধই অন্য রকম । পৌর শহরের পাবলিক মাঠের পাশে অনেকেই পিঠার দোকান নিয়ে বসেছেন। তাদের মধ্যে রহিম জানান, এটা তার শীত কালীন পেশা। সারাদিন অন্য কাজ করেন। সন্ধ্যার পরে পিঠার দোকান নিয়ে বসেন। ভালোই লাভ হয় । পিঠা খেতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা বজলুর রহমান জানান, শীতের রাতে গরম বিভিন্ন স্বাদের পিঠা খেতে ভালো লাগে। তাই অনেক সময় স্বজন, বন্ধু বান্ধব নিয়ে পিঠা খেতে আসি। রহমান নামে আরেকজন জানান, বাসা বাড়িতে আগের মত পিঠা তৈরি হয় না হলেও খুব কম। সন্ধ্যার নাস্তার জন্য হলেও গরম গরম পিঠার স্বাদই আলাদা।
এস/এন
বাংলাদেশ সময়: ১৯:৩২:৪৫ ১২১ বার পঠিত | ● দোকানিরা ● পিঠা ● বাউফল