ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
প্রচ্ছদ » বরিশাল » রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে তরুনকে মারধর,দোকান ভাংচুর লুটপাট

রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে তরুনকে মারধর,দোকান ভাংচুর লুটপাট


নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫


 রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে তরুনকে মারধর,দোকান ভাংচুর লুটপাট

ভোলা: চরফ্যাসনে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রাতের আঁধারে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে চোর অপবাদ দিয়ে আরাফাত(১৭) নামের এক তরুনকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।সোমবার রাত ১০ টায় পর্যটন দ্বীপ চর কুকরী-মুকরী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় তরুনের চাচা ও বাবাসহ স্বজনরা তাকে উদ্ধার করতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করে। এসময় হেনজে আলীরসহ দুই পরিবারের ১৩ সদস্য আহত হন। স্থানীয় আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় পল্লি চিকিৎসকের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। এঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে আহতদের পরিবার সুত্রে জানাগেছে।
আহত হেনজে আলী জানান,তার ছেলে আরাফতের সাথে শিমুল নামের এক যুবকের পুর্ব থেকেই বিরোধ চলমান আছে। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে সোমবার রাতে ছেলেকে শিমুলের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি চক্র রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি তরমুজ ক্ষেতে আটক করে মারধর করেন। এসময় খবর পেয়ে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে এবং অবরুদ্ধ ছেলেকে উদ্ধার করে ওই স্থানে গেলে শিমুল ও জাহাঙ্গীর হাওলাদারসহ তাদের দলবলরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করেন। এসময় হামলাকারীরা তাকে মারধর করে তার সঙ্গে থাকা ৪৫ হাজার টাকা লুট করে নেন। পরে ছেলে আরাফাতসহ অপর সদস্যদের হামলাকারীদের কবল থেকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। এঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
অপর দিকে তরুন আরাফাতের চাচা ব্যবসায়ী রিপন শওদাগর অভিযোগ করেন, নব্য ছাত্রদল নেতা শিমুল একজন আওয়ামী লীগের দোসর। আওয়ামী লীগের ক্ষমতার আমালে তিনি আওয়ামী লীগ নেতা সাইনবোর্ড লাগিয়ে নেতারদের ছাত্রছায় কুকরী-মুকরীতে অনেক অপকর্ম করেছেন। বর্তমানে পট পরিবর্তনের সাথেই তিনি ছাত্রদল নেতা পরিচয় দিয়ে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেন। একটি মেয়ে সংক্রান্ত পুর্ব শত্রুতার জের ধরে সোমবার রাতে সোহেল নামের এক তরমুজ চাষীর সাথে হাত মিলিয়ে আমার ভাতিজা আরাফাতকে রাতের আধাঁরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে তরমুজ ক্ষেতে আটক করে শারীরিক নির্যাতন চালান। ঘটনা রাতে তিনি কুকুরী বাজারে তার মালিকানাধীন দোকানে ছিলেন। ওই রাতে হামালাকারীরা তার ভাতিজাকেসহ পরিবারের অপর সদস্যদের মাধরের পর বাজারে ফিরে এলে তিনি ঘটনাটির প্রতিবাদ জানান।

এসময় ওই শিমুল হওলাদার ও জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও বাবুল হাওলাদারের নেতৃত্বে তার দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেন। দোকানের আসবাব পত্র ভাংচুর করে ক্যাশে থাকা ৫০ হাজার টাকা লুট করে নেন। এসময় তার দোকান রক্ষা করতে তার বাবা ফারুক শওদাগর, চাচা জাহাঙ্গীর শওদাগরসহ স্বজন সুমন, রিপন, সজিব মেহেদী এগিয়ে আসালে হামলাকারীরা তাদের ওপরেও হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করেন।
অভিযুক্ত সোহেলের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
দক্ষিণ আইচা থানার ওসি এরশাদুল হক ভূইয়া জানান, এ এবিয়য়ে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আর/ এন

বাংলাদেশ সময়: ২০:০৯:১৫   ৩৪৩ বার পঠিত  |