![]()
নোয়াখালী: হাতিয়া উপজেলায় দেওয়ানী ও ফৌজদারি আদালতের বিচারক না থাকায় সৃষ্ট জনভোগান্তি নিরসনে জজ পুন:নিয়োগের দাবিতে এক মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। হাতিয়ার সর্বস্তরের বিচারপ্রার্থী আইনজীবী সাধারণ মানুষ এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
সোমবার বিকেলে উপজেলা সদরের প্রধান সড়কের ওছখালি জিরো পয়েন্টে হাতিয়া উন্নয়ন ফোরাম ও হাতিয়া আইনজীবী সমিতি উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য, পিজি হাসপাতাল ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল এডভাইজার এ্যাডভোকেট শাহ মাহফুজুল হক চৌধুরী, হাতিয়া আইনজীবী সমিতির সদস্য আফম এ্যাডভোকেট আবদুস সালাম, এ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম, এ্যাডভোকেট ফজলে আজিম তুহিন প্রমূখ।
মানব বন্ধনে বক্তারা বলেন, হাতিয়া কোর্টে দীর্ঘ ৬ মাস ধরে কোন বিচারক নেই। হাতিয়ার ৯ লাখ মানুষ বিচার প্রক্রিয়া বহির্ভূত দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। বিচারক ও বিচার ব্যবস্থা বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে অনুপস্থিত। হাতিয়া দ্বীপের বিচারপ্রার্থীরা বিচার ব্যবস্থায় বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। কেউবা নদী পার হয়ে ৫০ কিলোমিটার দূরে জেলা সদরে গিয়ে বিচারপ্রার্থী হচ্ছেন। এতে অনেকে আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে। ফলে দ্বীপাঞ্চলে বিশৃঙ্খলা অনেক বেড়ে গেছে।
বক্তরা বলেন, এক যুগ আগে হাতিয়া দেওয়ানী ও ফৌজদারি আদালত ভবন পরিত্যক্ত হলে তা ভেঙে ফেলা হয়েছে। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও আইন মন্ত্রণালয় আজ পর্যন্ত হাতিয়াতে আদালত ভবন পূননির্মাণ না করায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এতে করে আইনজীবী বিচারপ্রার্থী ও বিচারকের বিচারের সুব্যবস্থা না থাকায় পরিস্থিতির দিন দিন অবনতি হওয়ার উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
অন্যদিকে চরফ্যশন উপজেলার ন্যায় হাতিয়া উপজেলাতেও অনতিবিলম্বে যুগ্ম জেলা জজ আদালতের কার্যক্রম চালুকরণ, সাবজেল স্থাপন, জাজেস কোয়ার্টার স্থাপন ও সিনিয়র সহকারী জজ পূনঃ নিয়োগ সহ সকল ধরণের বৈষম্য দূর করে হাতিয়ায় দ্রুত বিচার কাঠামো পরিবেশ গঠনের জোর দাবি জানানো হয়। অন্যথায় আরো কঠোর আন্দোলনের হুসিয়ার উচ্চারণ করা হয়। এ সময় মানববন্ধন কর্মসূচিতে ওসখালি জিরো পয়েন্টের চারিদিকের রাস্তা আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি করে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৮:৩৬:৪২ ২৬৫ বার পঠিত | ● নিয়োগ ● বিচারক ● মনববন্ধন ● হাতিয়া