![]()
মানিকগঞ্জ: যেখানে প্রতি বৃহস্পতিবার ও রবিবার হাটের দিন মানুষের আনাগোনা ও বিভিন্ন দোকানপাট বসে কেনাবেচা করা হয়। পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা বা ড্রেন না থাকায় বিদ্যালয়ের মাঠ যেন পানিতে ভরপুর। সামান্য বৃষ্টি হলেই সৃষ্টি হয় পানিবদ্ধতা। গত ৫ দিনের বৃষ্টির কারনে মাঠ পানিতে থৈ থৈ করছে। শিক্ষার্থীরা পানির কারনে স্কুলে যেতে পারছে। এ ছাড়াও মাঠের দক্ষিণ পাশের ৪/৫ টি চায়ের দোকানে পানি উঠায় বন্ধ রয়েছে। ময়লা আবর্জনা পচা ও গন্ধ পানিতে এডিস মশা উৎপত্তি হচ্ছে।
এ সব ময়লাযুক্ত পানিতে ডেঙ্গু আতঙ্ক ও চরম দুর্ভোগে শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও পথচারিরা। এমন চিত্র দেখা যায়, সিংগাইর পৌরসভার নাকের ডগায় সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে। যেন কেউ দেখে না দেখার ভান করছে পৌর প্রশাসক। পানিবদ্ধতা কারনে শিক্ষার্থীদের খেলাধূলা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা মাঠে নামতে পারছে না। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষাকালে বৃষ্টির পানিতে পুরো মাঠ পানিবদ্ধতা সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে শনিবার সকালে গিয়ে দেখা যায়, সিংগাইর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে পশ্চিম পাশে রয়েছে শহিদ রফিক স্মরণী প্রধান সড়ক, পশ্চিম উত্তরে রয়েছে পৌরবাজার। সড়ক ও বাজার থেকে বিদ্যালয়ের মাঠ নিচু ও পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে মাঠে পানি জমে যায়।
ফলে শিক্ষার্থী,অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা মাঠের মধ্যে হাটবাজার বসতে না পারায়। আবার কেউ কেউ হাটু পানি ভেঙ্গে বিদ্যালয় যাচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীরা জানান,সামান্য বৃষ্টি হলেই মাঠে পানি জমে থাকে। এতে মাঠের ঘাস ও আগাছা পঁচে দুর্গন্ধ ছড়ায়, চার পাশে স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে মশা বংশ বিস্তার করছে বিধায় ডেঁঙ্গু আক্রান্ত নিয়েও আমরা চিন্তিত। দ্রুত বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক মো.আরিফুর রহমান দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন,মাঠের পানি নিস্কাশনের জন্য ইউএনও স্যারকে অবগত করেছি। দ্রুত ড্রেনেজের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.কামরুল হাসান সোহাগ জানান,পানি শুকিয়ে গেলে ড্রেনেজের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৯:০১:১০ ৯৫ বার পঠিত | ● পাইলট উচ্চ ● বিদ্যালয় ● সিংগাইর