![]()
খুলনা: পাইকগাছাস্হ চিংড়ি চাষি সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং রয়্যাল ফিস ট্রেডিং ও রয়্যাল কালচার এর স্বত্বাধিকারী গোলাম কিবরিয়া রিপন মৎস্য খাতে জাতীয় স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। তিনি খুলনার বয়রা রায়ের মহল এলাকার মৃত নজির উদ্দীন আহমেদের সন্তান ।
সোমবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাত থেকে এই স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন তিনি।
পুরস্কার গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় গোলাম কিবরিয়া রিপন বলেন, এ অর্জন শুধু আমার ব্যক্তিগত নয়, পুরো পাইকগাছা ও খুলনার মানুষের গর্বের প্রতীক।
জানাযায়,খুলনা বিএল কলেজ থেকে মাস্টার্স পাস করে চাকুরির প্রত্যাশা না করে বাবাকে অনুসরণ করে ২০০১ সালে পাইকগাছায় চিংড়ি পোনা ব্যবসায়ের মাধ্যমে ব্যবসায়িক জীবন শুরু করেন তরুণ উদীয়মান ব্যবসায়ী গোলাম কিবরিয়া রিপন। পোনা ব্যবসায়ে সফলতা পেয়ে তিনি ২০০৭ সালে ১৫০ বিঘা জমি লীজ নিয়ে চিংড়ি চাষ শুরু করেন। চিংড়ি চাষে সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকায় তিনি ঘেরের সংখ্যা ও চিংড়ি চাষের পরিধি বাড়াতে শুরু করেন। বর্তমানে তার পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায় ১ হাজার ৮শ বিঘার ৬টি চিংড়ি ঘের রয়েছে। যেখান থেকে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা আয় করেন। ২০২৪ সালে তার চিংড়ি উৎপাদনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫ কোটি ২০ লাখ টাকার। বর্তমানে তাঁর প্রতিষ্ঠিত মাছের প্রজেক্টে ৭৬ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাঁর উদ্যোগ দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা মৎস্য খাতে যুক্ত হয়েছেন।
স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মৎস্য খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির জন্য গোলাম কিবরিয়া রিপন এর এই স্বর্ণপদককে পাইকগাছা ও খুলনার মানুষ ব্যতিক্রমী এক অর্জন হিসেবে দেখছেন।
জাতীয় পর্যায়ে এই অর্জনের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। অনেকেই এটিকে পাইকগাছা ও খুলনার মানুষের সম্মিলিত অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আফ/আর