![]()
বরিশাল: বাড়ি থেকে বরিশাল কলেজের উদ্দেশে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি আগৈলঝাড়ার এক কলেজ ছাত্রী। তার পরিবার নিখোঁজের ঘটনাটিকে রহস্যজনক দাবি করে আগৈলঝাড়া থানায় জিডি করেছেন। কলেজছাত্রী নিখোঁজের ৭দিন পেরিয়ে গেলেও ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার হোয়াটঅ্যাপ নম্বরে একটি ক্ষুদে বার্তা আসে। ক্ষুদে বার্তা লেখা রয়েছে ”আমাকে খুইজেন না, আমি আমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে আছি এবং ভালো আছি”।
নিখোঁজ কলেজছাত্রী পূজা দাস(২১)বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের মধ্য শিহিপাশা গ্রামের নারায়ণ চন্দ্র দাসের মেয়ে এবং বরিশাল সরকারী মহিলা কলেজের ছাত্রী।
কলেজছাত্রীর ভাই রিমন দাস বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় জিডি করেন। যার নং ৪৩৬ (০৯-১১-২০২৫)। তিনি জিডিতে উল্লেখ করেন, গত ৯ নভেম্বর সকাল ৭টা ১০মিনিটে বরিশাল কলেজের যাওয়ার জন্য আগৈলঝাড়ার বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই নিখোঁজ রয়েছে আমার বোন পূজা দাস। সকল আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খুজে বোনের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এঘটনায় কলেজ ছাত্রীর ভাই রিমন দাস ফোনে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ঘটনাটি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি জানান থানায় জিডি করেছি। পুলিশ নিখোঁজের ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।
জিডি’র তদন্তকারী কর্মকর্তা আগৈলঝাড়া থানার এসআই মো.মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, কলেজ ছাত্রী প্রাপ্তবয়স্ক। যার কারনে এবিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে। জিডির পরেই কলেজছাত্রীকে উদ্ধারে পুলিশের তৎপরতা শুরু করার সাথে সাথেই আমার হোয়াটঅ্যাপ নম্বরে একটি ক্ষুদে বার্তা আসে। সেই বার্তায় লেখা হয়েছে ”আমাকে খুইজেন না, আমি আমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে আছি এবং ভালো আছি”। তবে এরপর থেকেই নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ওই মেসেজটি নিখোজ কলেজ ছাত্রী পাঠিয়েছে কি না অন্য কেউ পাঠিয়েছে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে চেষ্টা চলমান রয়েছে।
এব্যাপারে আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো.অলিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, কলেজছাত্রীর পরিবার থেকে নিখোঁজের ঘটনায় সাধারন ডায়েরী করা হয়েছে। নিখোঁজের জিডি হলেও এর কোন ক্লু দিতে পারছে না পরিবার। কলেজছাত্রীর পরিবার পুলিশকে তদন্তে কোন সহযোগিতা করছে না। যে নম্বর থেকে মেসেজ দেওয়া হয়েছিল সেই নম্বরটি বন্ধ থাকায় ট্রাকিং করা সম্ভব হচ্ছে না।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৯:০২:৩৭ ১৬৮ বার পঠিত | ● আগৈলঝাড়া ● ক্ষুদে বার্তা ● ঘর পালানো ● শিক্ষার্থী