ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রচ্ছদ » বরিশাল » আগৈলঝাড়ায় এক পরিবারের ওপর তিনদফা হামলা, বাড়ি ফিরতে পারছে না ভুক্তভোগীরা

আগৈলঝাড়ায় এক পরিবারের ওপর তিনদফা হামলা, বাড়ি ফিরতে পারছে না ভুক্তভোগীরা


স্টাফ রিপোর্টার,( আগৈলঝাড়া )
প্রকাশ: শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬


আগৈলঝাড়ায় এক পরিবারের ওপর তিনদফা হামলা, বাড়ি ফিরতে পারছে না ভুক্তভোগীরা
বরিশাল: আগৈলঝাড়ায় জমিজমার বিরোধকে কেন্দ্রে করে একটি পরিবারের উপর একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। নিরাত্তার অভাবে ভুক্তভোগী ওই পরিবারটি বাড়ি ফিরতে পারছে না। এঘটনায় আদালতে মামলা ও থানায় সাধারন ডায়েরী করা হয়েছে।
মামলা ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার উপজেলার রত্মপুর ইউনিয়নের চাউকাঠী গ্রামের বেল্লাল ও জহিরুল হাওলাদার সাথে দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে একই বাড়ির রহিম, খলিল ও জাকির মৃধার। যৌথ বাড়ির যাতায়াতের পথ ও ঘাটলা নিয়ে ঝগড়া-ঝাটির এক পর্যায় রহিম মৃধার নেতৃত্বে ৭ জনের একটি দল হামলা চালিয়ে প্রতিপক্ষ বেল্লাল হাওলাদারের স্ত্রী সুখী বেগম, ছেলে চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্র শাওন হাওলাদার, ভাই প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পারুল বেগম, মেয়ে চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রী ফাজিয়া আক্তারকে পিটিয়ে আহত করে ।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পারুল বেগম বাদী হয়ে বরিশাল আদালতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আগৈলঝাড়া থানায় আসলে তদন্তের জন্য ২৫ মার্চ ঘটনাস্থলে যান এসআই ওমর ফারুক। তদন্তের সময় মামলার বাদী পারুল বেগমের ছেলে দশম শ্রেনীর ছাত্র স্বাধীন হাওলাদার ঘটনাটি ভিডিও করার অভিযোগে খলিল মৃধার ছেলে রাজু মৃধার নেতৃত্বে তিনজনে মিলে হামলা করে গুরুতর আহত করে।

তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এঘটনায় মা পারুল বেগম আগৈলঝাড়ায় থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করলে এসআই মামুন ঘটনাস্থলে হামলাকারীদের খুজে না পেয়ে ফিরে আসেন। পুলিশ চলে আসার পর হামলাকারীরা পুনরায় বেল্লাল ও জহিরুল হাওলাদারের পরিবারের উপর পুনরায় হামলা করে। হামলাকারীরা প্রভাবশালী হাওয়ায় আতংকে বেল্লাল ও তার ভাই প্রবাসী জহিরুলের স্ত্রী, সন্তানেরা নিরাপত্তার অভাবে বাড়ি ফিরতে পারছে না।
এব্যাপারে অভিযুক্ত জাকির মৃধা প্রতিপক্ষের উপর একাধিকবার হামলার ঘটনা আস্বীকার করে বলেন, পারুলের ছেলে স্বাধীন হাওলাদার মহিলাদের গোসলের ভিডিও ধারনের সময় স্থানীয়দের হাতে ধরা পরে। একারনে তারা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে।
এব্যাপারে এসআই ওমর ফারুক বলেন, আদালতের মামলাটি তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে আদালতে রির্পোট প্রেরন করা হবে। আমি ফিরে আসার পরে কোন ঘটনা ঘটে থাকলে তা আমার জানা নেই।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২০:৫৬:৫৭   ৬১ বার পঠিত  |