ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রচ্ছদ » ঢাকা » আহত বিএনপি নেতাকে দেখতে হাসপাতালে খন্দকার আবু আশফাক এমপি

আহত বিএনপি নেতাকে দেখতে হাসপাতালে খন্দকার আবু আশফাক এমপি


স্টাফ রিপোর্টার,( দোহার )
প্রকাশ: সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬


 আহত বিএনপি নেতাকে দেখতে হাসপাতালে এমপি

ঢাকা:নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শিমুলের ওপর বর্বরোচিত হামলায় আহতদের দেখতে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিদর্শনে যান ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক।
সোমবার বেলা ১২টায় নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা আহত শোল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শিমুল ও তার বৃদ্ধা শাশুড়ীর শারীরিক অবস্থার খবর নেন।

এ সময়ে তিনি নবাবগঞ্জ থানা পুলিশকে দ্রুত আসামি গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। একই সময়ে বাগমারা বাজারে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানীদের সাথে সাক্ষাৎ করে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শন করেন।
উল্লেখ্য শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শোল্লা ইউনিয়নের দুধঘাটা গ্রামের বাড়ি থেকে মোটর সাইকেলযোগে শাশুড়িকে নিয়ে বের হউন বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম শিমুল। মোটর সাইকেলযোগে দক্ষিণ জামসা এলাকার গাজী চেয়ারম্যানের বাড়ির মোড়ে পৌঁছেলে সেখানে আগে থেকেই ঔৎ পেতে থাকা ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র দল। এ সময়ে মোটর সাইকেলটি তিনদিক থেকে ঘিরে ফেলে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে থাকা স্থানীয় (আজিজ মাস্টারের ছেলে) মো.সিফাত প্রথমে শিমুলের মাথায় আঘাত করে তাকে সড়কের উপর ফেলে দেয়। এরপর শুরু হয় এলোপাতাড়ি কোপ ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাড় গুঁড়ো করার নৃশংসতা।
মটরসাইকেল পাশে থাকা শাশুড়ি চিৎকার করে জামাতাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বেশ কয়েক জায়গায় আঘাত করা হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে ভর্তি করেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, দুধঘাটা-জামসা- সুকানিপাড়া মাদ্রাসা ও ঈদগাহ’র আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে স্থানীয় আজিজ মাস্টার ও কাজী শহীদুল্লাহ গ্রুপের সঙ্গে বিএনপি নেতা শিমুলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব চলছিল।তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার আল্টিমেটাম দেন বিএনপি নেতাকে দেখে নেওয়ার। এ বিষয় নিয়ে গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় প্রশাসন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক সালিশি বৈঠকে বিষয়টি ঈদুল আজহা পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত রাখা হয়।বৈঠকেই কাজী শহীদুল্লাহ বিএনপি নেতা শিমুলকে ‘দেখে নেওয়ার’ প্রকাশ্য হুমকি দিয়েছিলেন। আজকের হামলা সেই হুমকিরই প্রতিফলন বলে দাবি করছে গুরুত্বর আহতের পরিবার।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৫০:০২   ৯৯ বার পঠিত  |