ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রচ্ছদ » বরিশাল » দুমকি উপজেলা পরিষদের দপ্তর প্রধানশুন্য থাকায়, স্থবির হয়ে পড়েছে কার্যক্রম

দুমকি উপজেলা পরিষদের দপ্তর প্রধানশুন্য থাকায়, স্থবির হয়ে পড়েছে কার্যক্রম


আঃ মজিদ খান, (পটুয়াখালী )
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


 দুমকি উপজেলা পরিষদের দপ্তর প্রধানশুন্য থাকায়, স্থবির হয়ে পড়েছে কার্যক্রম

পটুয়াখালী: দুমকি উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে প্রধান কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এতে করে সরকারি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি উন্নয়ন কাজের গতি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদটি প্রায় এক মাস ধরে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ ইউএনও ফরিদা সুলতানা গত ২৬ মার্চ বদলিজনিত কারণে দায়িত্ব ত্যাগ করেন। বর্তমানে পাশ্ববর্তী পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দুমকির প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করছেন। তবে তিনি সপ্তাহে সীমিত সময় উপস্থিত থাকায় নীতিনির্ধারণী ও জরুরি অনেক কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউএনও না থাকায় ভূমি, ভ্রাম্যমাণ আদালত, জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ও তদারকিতেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে।
এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি প্রায় এক বছর ধরে শূন্য রয়েছে। গত বছরের ১৬ জুলাই বদরুন নাহার ইয়াসমিনের বদলির পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষা খাতে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার পদটিও গত বছরের জুন মাস থেকে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ কর্মকর্তা কমল গোপাল দে বিদায়ের পর থেকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।
পরিসংখ্যান অফিসেও দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কর্মকর্তা নেই। উজ্জ্বল কৃষ্ণ ব্যাপারীর বিদায়ের পর গত তিন বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মশিউর রহমান। এতে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও হালনাগাদ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার পদটি গত বছরের এপ্রিল থেকে শূন্য রয়েছে। সাইফুল ইসলামের বিদায়ের পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে মৎস্য খাতে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও মাঠ পর্যায়ের তদারকি ব্যাহত হচ্ছে।
নউপজেলার নাসিমা কেরামত আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মাকসুদুর রহমান বলেন, “জরুরি কাগজপত্রে স্বাক্ষরের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিয়মিত না থাকায় কাজের গতি অনেক কমে গেছে।

এন/ এন

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৫৩:৫৯   ৮০ বার পঠিত  |