![]()
রাজশাহী: দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি গ্রামে চার বছর বয়সী কন্যা শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পরদিন থানায় মামলা করতে গেলেও মামলা নেননি পুলিশ। অজ্ঞাত কারণে ভিকটিম শিশুর পরিবার থানা থেকে বের হবার পর থেকে ভয়ে আর মুখ খুলছেনা।
অন্যদিকে, এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ওই এলাকার প্রভাবশালী মহল। গ্রাম্য সালিশে ফায়সালা করে দেবার আশ্বাস দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একধরনের কোনঠাসা করে রাখা হয়েছে ভিকটিম শিশুর পরিবারকে। ঘটনাটি দাওকান্দি গ্রাম ছাপিয়ে এখন পুরো জয়নগর ইউনিয়নবাসীর আলোচনার প্রধান খোরাক।
ঘটনার পর বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে অভিযুক্ত কিশোর। ওই কিশোর এর আগেও ভিকটিম শিশুর বড় বোনের গোসল করার দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করেছিলো বলে সূত্রটি জানায়। অভিযুক্ত যুবকের বাবার বিরুদ্ধেও একই ধরনের স্পর্শকাতর ঘটনার অভিযোগ রয়েছে। সেই ঘটনাও ধামাচাপা পড়ে অজ্ঞাত কারণে। অভিযুক্ত কিশোর ও তার বাবার নৈতিকস্থলনের ঘটনা পুরো গ্রামবাসী জানেন। সম্প্রতি ফের এই ঘটনার পর ক্ষোভে ফূঁসছে গ্রামবাসীরা।
ওইসব ঘটনার আদলেই এই ঘটনাও ধামাচাপা দিতে একটি রাজনৈতিক দলের কয়েকজন স্থানীয় নেতা ব্যপক তৎপরতা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। থানায় মামলা না নিয়ে বের করে দেয়া, ভিকটিম শিশুর পরিবারের লোকজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কোনঠাসা করে রাখা এবং এই ঘটনায় গণমাধ্যমে কোনো ধরনের সংবাদ প্রকাশ যাতে না হয় সে জন্য মোটা অংকের চুক্তিও হয়েছে প্রভাবশালী মহলের সাথে। চুক্তির বেশিরভাগ অংশ লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানা গেছে। পুরো বিষয়টি মিটমাট হয়ে গেলে চুক্তির বাঁকী অংশের লেনাদেনা চুকানো হবে বলেও জানা গেছে।
ভিকটিম পরিবারের প্রতিবেশী ও গ্রামবাসীর দাবি- বারবার একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে কিভাবে পার পায় তারা। এসব কারণে গ্রামে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাস করা দিনকে দিন দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে। মানুষের নৈতিকস্থলন ও সামাজিক অবক্ষয়ের লাগাম টেনে ধরে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবিও জানান তারা।
বাংলাদেশ সময়: ২০:২৮:২৬ ৭ বার পঠিত | ● ঘটনা ● দুর্গাপুর ● ধর্ষণ ● রাজশাহী
----