![]()
ভোলা: চরফ্যাসনের বাড়িতে ডেকে নিয়ে জোপূর্ক ধর্ষনে অন্তঃস্বত্তা ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী । অভিযুক্ত প্রভাবশালী রফিক মিয়া ধর্ষনের ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে দির্ঘদিন ওই কিশোরী এবং তার বাবাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়া অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। গত চার মাস আগে প্রথম দফায় জোর পূর্বর ধর্ণনের ঘটানা ঘটলেও প্রায় সময় ওই কিশোরী তার স্ত্রীর সহয়োগীতায় বাড়িতে ডেকে নিয়ে চার মাস ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে রফিক(৫৫) নামের ওই ব্যাক্তি।
পরে বৃদ্ধ রফিকের ধর্ষনে কিশোরী অন্তঃস্বত্তার বিষয়টি শনিবার রাতে গ্রামজুড়ে জানাজানি হলে গ্রামবাসীরা অভিযুক্ত রফিককে তার বাড়িতে আটক করে গানধোলাই শেষে পুলিশে সোপর্দ করেন। এঘটনায় শনিবার রাতে ভিক্টিম কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত রফিক মিয়াকে আসামী করে চরফ্যাসন থানায় মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেপ্তার করে গতকাল শনিবার সকালে আদলতে সোপর্দ করেছেন। অভিযুক্ত রফিক ওই গ্রামের মৃত আলম মেকারের ছেলে।
মামলা ও ভিক্টিম সুত্রে জানা যায়,তার বাবা একজন হোটেল কর্মচারী। পৌর সভার ১ নম্বর ওয়র্ডে ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। গতচার মাস আগে ঘটনার দিন অভিযুক্ত আর তার প্রতিবেশী। পাশপাশি বাড়িতে বাসবাস করতেন। গত চার মাস আগে রাফিক কৌশলে তাকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান । ঘরে ঢুকলে তাকে প্রথম দফায় জোরপুর্বক ধর্ষণ করেন। পরে তাকে একটি ঔষাধ খাইয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এবয় কাউকে কিছু না বলার জন্য ভয় দেখান। ভয়ে আতংকিত কিশোরী বিষয়টি নিয়ে চুপ থাককেন। এর পর ওই বৃদ্ধের লালসার শিকারে পরিরতন হয়ে পরেন কিশোরী। প্রায় সময় তার স্ত্রীকে দিয়ে কিশোরীকে ডেকে নিয়ে স্ত্রী তার স্বামী হতে তুলে দিতেন। এভাবেই চলতো ওই কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষন।এভাবেই কেটে গেলে চার মাস।
বিয়ষটি কিশোরী মার আচ করতে পেয়ে কিশোরীর কাছে জানতে চান। কিশোরী তার মাকে পুরো ঘটনাটি জানান। মা পুরো ঘটনাটি জেনে মেয়ে ভবিষ্যতের কথা চিন্তার বিষয়টি গোপন রেখে মেয়েকে গর্তপাতের সিদ্ধান্ত নেন। অভিযুক্ত রফিক মিয়ার চাপে শনিবার রাতে কিশোরীকে গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নিয়ে এক নার্সের সরনাপন্ন হয় সেখানে গর্ভপাত ঘটনানো হয়। পরে মেয়ে অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পরলে বিষটি এলাকায় জানাজানি হলে গ্রামবাসী ওই বৃদ্ধ রফিককে তার বাড়িতে আটক করে গণধোলাই শেষে পুলিশে সোপর্দ করেন।
কিশোরীর খালা জানান,প্রথমে বিষয়টি আমাদের নজরে আসেনি। মেয়ের শারিকি অবস্থার পরিবর্তন দেখে তাকে ডাক্তার দেখানো হয়। এবং বিস্তারিত ঘটনাটি আমরা জানতে পারি।
অভিযুক্ত রফিক পুলিশ হেফাজতে থাকায় তার বক্তব্য জানাযায়নি।
চরফ্যাসন থানার ওসি মাহামুদ আল ফরিদ ভুইয়া জানান, ভিক্টিম কিশোরী চিৎসাধীন রয়েছে। এঘটনায় ভিক্টিম কিশোরীর বাবা দাবী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদলতে সোপর্দ করেছেন।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২০:৩৩:০৯ ১৭ বার পঠিত | ● অন্তঃস্বত্ত্বা ● কিশোরী ● চরফ্যাসন ● ধর্ষন
----