ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


আপনার এলাকার খবর

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রচ্ছদ » শিরোনাম » প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে: হুইপ জি কে গউছ

প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে: হুইপ জি কে গউছ


রায়হান উদ্দিন সুমন, হবিগঞ্জ ( সিলেট )
প্রকাশ: সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


 প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে: হুইপ জি কে গউছ

সিলেট: হবিগঞ্জ পৌরসভা এবং হবিগঞ্জ সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ বিষয়ে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪আগস্ট) সকাল ১০টায় হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ। সভায় সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ।
সভায় হবিগঞ্জ পৌরসভা এবং সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন চাহিদা, সম্ভাব্য প্রকল্প গ্রহণ এবং জনগণের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা ও মতামত গ্রহণ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে মানুষের প্রয়োজন ও জনদুর্ভোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। যে প্রকল্পগুলো সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখবে, সেগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, হবিগঞ্জ পৌরসভাসহ সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। রাস্তা, ড্রেনেজ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগসহ জনসেবামূলক অবকাঠামো উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ও স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন করা হবে। প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা, জনস্বার্থ ও বাস্তবায়ন যোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর তিনি জোর দেন।
সভায় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা নিজ নিজ এলাকার উন্নয়ন চাহিদা ও সম্ভাব্য প্রকল্প নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২০:২৬:৫৭   ১৭ বার পঠিত  |