![]()
বরিশাল: উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া–শোলক সড়কে ৭ কোটি টাকা ব্যায়ে সেতু নির্মাণ কাজ দেড় বছর আগে সম্পন্ন হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি অকেজ হয়ে পড়ে রয়েছে। সেই সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণকে ঘিরে উঠেছে নানা অভিযোগ।
সেতুটির পূর্ব প্রন্তের সংযোগ সড়কের সামনে রযেছে বেশ কয়েকটি কবর স্থান যা সড়িয়ে ফেলে পায়তারা করা হচ্ছে আপরদিকে জমির মালিকানা দাবী কারীরা বলছে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় আমাদের জমি ও বাপ দাদার কবরের উপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মানের জন্য তাদের নানা ভাবে হুমকি প্রদান করছেন। সরোজমিনে গিয়ে জানাগেছে, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থয়নে সন্ধ্যা নদীতে ৬ কোটি ৮৩ লক্ষ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যায়ে নির্মিত সেতুটি দু’পাশের সংযোগ সড়কের জন্য অকেজ হয়ে পড়ে আছে। সাধারন মানুষ মই দিয়ে সেতুটির উপর উঠে চলাচল করছেন ।
এদিকে জমির মালিকানা দাবীকারী আ:রব হাওলাদারের পুত্র মো: মাছুম হাওলাদার উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের অনৈতিক কর্মকান্ডের বিচার চেয়ে ১ সেপ্টেম্বর বরিশাল জেলা প্রশাসক ও প্রধান প্রকৌশলী (এলজিইডি) বরিশাল নিকট লিখিত দিয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, উন্নয়নের নামে কারও জমি দখল করার সুযোগ নেই। সরকারি প্রকল্প হলেও জমির মালিকের অধিকার ও আইনানুগ প্রক্রিয়া মানতেই হবে।
এ ঘটনায় আরও প্রশ্ন উঠেছে, সেতু নির্মাণের সময় সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি কেন যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। জমির মালিকানাদাবী কারী আবদুর রব হাওলাদার কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার পৈত্রিক জমির উপর দিয়ে সেতুটির সংযোগ সড়ক করতে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় নানা ভাবে চেষ্টা করছেন । এমনকি ওই জমির উপর কবর স্থান রয়েছে সেই কবর অপসরন করতে বলছেন তার কথায় রাজি না হলে তিনি আমাদের মামলায় জড়াবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন।
আভিযুক্ত উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, সেতুটি নির্মান শেষ হয়েছে সংযোগ সড়কের জমি সরকারী খাস হওয়ার কারনে সঙযোগ সড়ক নির্মানে সময় লাগছে । আপরদিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি ) কর্মকর্তা মহেস্বর মন্ডল বলেন সেতুটির সংযোগ সড়কের বিরোধ পূর্ন জমিটি আমি খাস বলতে পারছি না তার কারন যেহেতু চুড়ান্ত গেজেট হয়নি।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১:১৪:১০ ৫ বার পঠিত | ● অকেজো ● উজিরপুর ● নির্মিত ● সেতুটি