![]()
টাঙ্গাইল: ভুঞাপুরে একটি সেতুর অভাবে কয়েক গ্রামের মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। এতে নারী- শিশু ও শিক্ষার্থীসহ প্রায়
৬ হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট্ট একটি নৌকায় নদী পারাপার হয়ে থাকে। কেউ কেউ ব্যবহার করছে বিপদজনক রেলসেতু।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বামনহাটা পূর্ব, বেতুয়া, বেতুয় পলশিয়া কয়েকটি গ্রামের নারী ও শিশুসহ প্রায় 6 হাজার মানুষ প্রতিদিন উপজেলা শহর ও বিভিন্ন হাট-বাজারে যাতায়াত করে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় নষ্ট ৩ কিলোমিটার ঘুরে।
লৌহজং নদীর রেলস্টেশনের পশ্চিম পাশে পশ্চিম ভূঞাপুর ও বামনহাটার পূর্ব অংশে দুইপাড়ে ২ টি সংযোগ সড়ক রয়েছে অথচ নেই একটি সংযোগ সেতু। এখানে একটি সেতু তৈরি করা হলে বামনহাটা পূর্ব, বেতুয়া ও বেতুয়া- পলশিয়ার প্রায় 6 হাজার মানুষ মাত্র ১ কিলোমিটার পথেই উপজেলা শহরে পৌঁছে যেতে পারে। এই সংযোগ সড়কটির অভাবে স্কুলগামী শিশু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কেউ কেউ রেলসেতু দিয়ে যাতায়াত করে। যা অত্যন্ত বিপদজনক। আবার সাধারণ জনসাধারণ ৩ কিলোমিটার ঘুরে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে যাতায়াত করছে।
বামনহাটা গ্রামের ইমরান মিয়া জানান, ছোট্ট এই নদীটির কারণে ব্যবসা বাণিজ্যসহ উৎপাদিত কৃষিপণ্য হাট বাজারে পরিবহন খুব কষ্ট সাধ্য এবং ব্যয় বহুল। বেতুয়া গ্রামের আরশেদ আলী বলেন, স্কুলগামী ছোট্ট শিশুরা জীবনে ঝুঁকি নিয়ে রেলসেতু দিয়ে পার হয়। একটা সেতু হইলে শিশুরা নিরাপদে স্কুলে যাইতে পারতো।
ব্যবসায়ী সোহেল খান বলেন, বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে পারপার হইতে পারলেও সমস্যা তখন বেশি হয়, যখন নৌকাও চালানো যায় না, কাপড় বাঁচিয়েও যাওয়া যায় না। রাতে বাড়িতে ফিরে আসা সব চেয়ে বেশি কষ্টের।
বামহাটা গ্রামের চাকুরিজীবি আশরাফুন্নাহার জানান, পশ্চিম ভূঞাপুরের রাজ্জাক কাউন্সিলরের বাড়ির মোড়ের উত্তরে লৌহজং নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের দাবী দীর্ঘ দিনের। এই মহল্লার জনগণকে একটি সেতুর অভাবে ৩ কিলোমিটার ঘুরে উপজেলা শহর ও হাট বাজারে যেতে হয়। অফিসে যাতায়াতও কষ্টকর। দ্রুত সময়ের মধ্যে এখানে একটি সেতু তৈরির দাবি জানাচ্ছি।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৯:৪১:৫১ ৪ বার পঠিত | ● নদী ● ভুঞাপুর ● লৌহজং ● সেতু