![]()
ঠাকুরগাঁও: সপ্তাহ পরেই শুরু হবে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ উপলক্ষে পীরগঞ্জ উপজেলায় এরই মধ্যে ব্যাপক আয়োজন শুরু হয়েছে। এবার এ উপজেলায় ১২২টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
দুর্গোৎসবকে আনন্দঘন করতে ঢাক-ঢোলের বিকল্প নেই। তাই পূজাকে সামনে রেখে ঢাক-ঢোল তৈরি ও মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। পীরগঞ্জ কলেজ বাজারের মাতুল ঢোল ঘর ও আনন্দ সুর ঘরে গিয়ে দেখা যায়, দুর্গাপূজার কারণে ঢাক-ঢোল তৈরি ও মেরামতে দম ফেলারও ফুরসত নেই কারিগরদের।
জয়কৃষ্টপুর গ্রাম থেকে ঢাক মেরামত করতে আসা বাদ্যযন্ত্রশিল্পী ধনেশ চন্দ্র রায় জানান, পূজার উৎসবগুলোতে ঢাক-ঢোলের বাজনাই দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। ঢাক-ঢোলের বাজনা ছাড়া উৎসবও জমে ওঠে না। সামনে সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা, তাই ঢাক মেরামতের জন্য নিয়ে এসেছেন।
আরেক বাদ্যযন্ত্রশিল্পী বল হরিদাস রায় বলেন, “ঢাক-ঢোল বাজিয়েই সংসারের খরচ চালাই। একটা নতুন ঢাক কিনতে এসেছি। আর পুরোনো ঢাক-ঢোলও মেরামত করে নিচ্ছি। যাতে পূজার দিনগুলোতে সমস্যায় পড়তে না হয়।”
প্রতি বছর দুর্গাপূজার আগে ঢাক-ঢোল তৈরির কাজের চাপ বেড়ে যায় জানিয়ে বাদ্যযন্ত্র কারিগর নির্মল বিশ্বাস (৭০) বলেন, “বংশপরম্পরায় আমরা ঢাক-ঢোল তৈরির কাজ করছি। তবলা বা ঢাক-ঢোল তৈরিতে গরু, ছাগল কিংবা মহিষের চামড়া, মাটির খোল, বাটালি, তার ও সুতা লাগে। মাঝারি ধরনের একটি চামড়া দিয়ে দুটি ঢোল বা তবলা তৈরি করা যায়। আর তাতে সময় লাগে চার থেকে পাঁচ দিন।”
গত বছরের তুলনায় দাম বেড়ে বর্তমানে একটি ঢাক-ঢোল মেরামত করতে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা এবং নতুন তৈরি করতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা লাগে বলে জানান তিনি।
এন/ এস
বাংলাদেশ সময়: ২২:৫৪:৫০ ৮ বার পঠিত | ● দুর্গাপূজা ● পীরগঞ্জ