ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: জেলার নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান (৪০) ও তাঁর ভাই নুর আলমের (৪২) বিরুদ্ধে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রায় ৪ লাখ টাকার মাছ ধরে নিয়ে যাওয়া এবং ড্রেজার দিয়ে বালু ফেলে জমি ভরাট করে দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় তাঁদের সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. শফিকুল ইসলাম (৫৬) নবীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে চেয়ারম্যান তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে অস্বীকার করেছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের নবীপুর ও চরলাপাং মৌজায় খতিয়ান নম্বর ৬৩৩ এবং দাগ নম্বর ৩৮৮৩ ও ১৩৯৩-এ অবস্থিত সোয়া ১৬ শতক নাল জমি নিয়ে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। শফিকুল ইসলামের দাবি, জমিটি তাঁর খরিদা সম্পত্তি এবং সেখানে তিনি মাছ চাষ করে আসছেন।
অভিযোগে বলা হয়, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওই জমি থেকে প্রায় ৪ লাখ টাকার মাছ ধরে নিয়ে যান। একই সময়ে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু ফেলে জমি ভরাট করে দখলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
এ সময় শফিকুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁদের প্রাণনাশ এবং লাশ গুম করার হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, ভয়ে তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে বাধ্য হন।
এ বিষয়ে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুজ্জামান অভিযোগটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, “এখানে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ইসলামপুর গ্রামের জনসাধারণের চলাচলের সুবিধার্থে মেইন রোডে যাওয়ার জন্য প্রায় ১৫০ ফুট লম্বা পায়ে চলার একটি ফাঁড়ি পথ তৈরি করতে চাচ্ছে।”
নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এন/এস
বাংলাদেশ সময়: ২০:১৪:২৫ ৬১ বার পঠিত | ● নবীনগর জমি দখল ● নুরুজ্জামান চেয়ারম্যান ● ব্রাহ্মণবাড়িয়া ● ৪ লাখ টাকার মাছ লুট