ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ঢাকা: নবাবগঞ্জ উপজেলার গালিমপুর মৌজায় কে.বি.এম ইটভাটার বিরুদ্ধে ৮৭.৫০ শতাংশ কৃষিজমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।
জমির বর্তমান মালিক হিসেবে দাবি করা দোহারের স্থায়ী বাসিন্দা আবুল হাসান, ফারুক আহম্মেদ ও মোশারফ গং জানান, নবাবগঞ্জ উপজেলার গালিমপুর মৌজার আরএস খতিয়ান নম্বর ১০৩৫ এবং আরএস দাগ নম্বর ৮৪৫০, ৮৪৫১, ৮৪৫২ ও ৮৪৫৩-এ মোট ৮৭.৫০ শতাংশ জমি রয়েছে। আরএস রেকর্ড অনুযায়ী জমিটির মালিক ছিলেন মৃত ইয়াছিন খান। ১৯৮৬ সালের ৯ অক্টোবর ২৭৪৭ নম্বর দলিলের মাধ্যমে একই গ্রামের জনাব আলী জমিটির মালিক হন। পরে ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর ৭৪১৫ নম্বর দলিলমূলে আবুল হাসান, ফারুক আহম্মেদ ও মোশারফ গং জমিটির মালিকানা লাভ করেন বলে তাঁরা জানান।
তাঁদের দাবি, নবাবগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস থেকে নামজারি সম্পন্ন করে ডিসিআর নম্বর ২৬২৬৬২১৭০১৭০৯১ অনুযায়ী ২০২৬ সালের ৬ জুন খাজনা পরিশোধের পর থেকে তাঁরা জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। চলতি মাসের ৩ তারিখে লোকমুখে জানতে পারেন, কে.বি.এম ইটভাটার মালিক কাশেম খান জমিটি দখলে নিয়ে এর উপরিভাগের মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছেন।
এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে জমির সীমানায় গেলে ইটভাটার মালিক কাশেম খান ও তাঁর লোকজন জমির দখল ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান এবং আদালতে যাওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন জমির দাবিদারেরা।
এ ঘটনায় দলিলগ্রহীতারা স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। তাঁরা জমি ফিরে পেতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলিলগ্রহীতা আবুল হাসান, ফারুক আহম্মেদ, মোশারফ হোসেন, মো. মোজাফ্ফর, সফি উদ্দিন চোকদার, মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি নেতা ও সাবেক জয়পাড়া কলেজ শাখার জিএস আবুল হাসনাত খালাসি, উপজেলা মৎস্যদলের সভাপতি মো. রমজান হোসেন, সুতারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা কবির হোসেন প্রমুখ।
অভিযোগের বিষয়ে কে.বি.এম ইটভাটার মালিক কাশেম খান বলেন, “জমিটি আমাদের পূর্ব-পুরুষের নামে রেকর্ড রয়েছে। কিভাবে এরা জমিটি ক্রয় করলো তা আমরা বুঝলাম না।”
এন/ এস
বাংলাদেশ সময়: ১৮:৫৮:৫২ ৩ বার পঠিত | ● কাশেম খান ● কে.বি.এম ইটভাটা ● গালিমপুর মৌজা ● নবাবগঞ্জে কৃষিজমি দখল