ঢাকা    শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
• প্রধানমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে চাঁদা দাবির অভিযোগ কয়রার দফাদার মতিয়ারের বিরুদ্ধে • আলফাডাঙ্গায় এমপি ইলিয়াস মোল্লার সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময় সভা • এমপির নির্বাচনী বক্তব্যে করতালি, নিজকে বিএনপি নেতা দাবী ইউএনওর • তারাকান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দ্রুত ইনডোর সেবা চালুর আশ্বাস স্বাস্থ্যমন্ত্রীর • বর্ষার আগেই নদীভাঙন রোধের ব্যবস্থা চান হাতিয়ার সহস্রাধিক মানুষ • ২৫ বছরেও সংযোগ সড়ক হয়নি,পরিত্যক্ত অবস্থায় সেতু • ৮৪ শতাংশ জমি দান, দাতা সদস্যের নাম বাদ ও বেতন বন্ধের অভিযোগ • থানার লকাপে ছাত্রলীগ নেতার ভিডিও ধারণ, সহযোগী গ্রেপ্তার; ডিউটি অফিসার ক্লোজ • কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগে আটক ২ • ভেড়ামারায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৬, দুজনের কারাদণ্ড এক বছর


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » ঢাকা » ৮৪ শতাংশ জমি দান, দাতা সদস্যের নাম বাদ ও বেতন বন্ধের অভিযোগ

৮৪ শতাংশ জমি দান, দাতা সদস্যের নাম বাদ ও বেতন বন্ধের অভিযোগ


আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


৮৪ শতাংশ জমি দান, দাতা সদস্যের নাম বাদ ও বেতন বন্ধের অভিযোগ

ফরিদপুর: বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় ৮৪ শতাংশ জমি দান, দাতা সদস্যের নাম বাদ দেওয়া এবং এক কর্মচারীর বেতন বন্ধের অভিযোগ তুলে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার নওয়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্যরা।
শনিবার সকাল ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মকবুল হোসেন খানের মেয়ে মনিরা বেগম ও ছেলে হারুন খান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৯৯৩ সালে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় মকবুল হোসেন খান ৮৪ শতাংশ জমি দান করেন। তবে পরে অনিয়মের মাধ্যমে দাতা সদস্য হিসেবে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। এ ছাড়া বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ তালুকদারের বিরুদ্ধে জমি বিক্রি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়।

১৯৯৮ সালে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হয়। হারুন খান ১৯৯৯ সালে বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী পদে যোগ দেন। পরিবারের অভিযোগ, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাওলানা দবিরউদ্দীন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাঁর বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে।

তবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, হারুনের বেতন ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়নি। এ কারণে তাঁর নাম ইএফটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। কাগজপত্র জমা দিয়ে ইএফটিতে অন্তর্ভুক্ত হলে তিনি বেতন পাবেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে অবসরপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, “আমি প্রায় ৯ বছর আগে অবসরে গেছি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে।”

বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাওলানা দবিরউদ্দীন বলেন, “সংবাদ সম্মেলনে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।”

সংবাদ সম্মেলন থেকে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, বিদ্যালয়ের জমি ও আর্থিক কার্যক্রম যাচাই এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৭:৪৬:২০   ৩৪ বার পঠিত  | ●   ●   ●   ●







ঢাকা থেকে আরও...


● আলফাডাঙ্গায় এমপি ইলিয়াস মোল্লার সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময় সভা
● তারাকান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দ্রুত ইনডোর সেবা চালুর আশ্বাস স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
● ৮৪ শতাংশ জমি দান, দাতা সদস্যের নাম বাদ ও বেতন বন্ধের অভিযোগ
● কালীগঞ্জে ৩-১ গোলে জিতে তুমলিয়া প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা বাগদী একাদশের
● নবাবগঞ্জে ৮৭.৫০ শতাংশ কৃষিজমি দখলের অভিযোগ, ইটভাটা মালিকের অস্বীকার



আর্কাইভ